প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দুর্ঘটনা ঘটলেই মিডিয়া বলে ইসলামের দোষ, আগে দায়ী করা হতো মাদ্রাসাকে, বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নুর নাহার : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, এক সময় ধারণা করা হতো যারা মাদ্রাসায় পড়ে বা ওই ধরণের লোক জঙ্গিবাদের সঙ্গে যুক্ত থাকে। পরবর্তীতে বিভিন্ন তথ্যে দেখা যায়, আসলে যারা উচ্চ শিক্ষিত, ভালো প্রতিষ্ঠাণে পড়েছে এবং যথেষ্ট সম্পদশালী সেই ধরনের যুবকেরা এতে প্রভাবিত হয়। বাংলাদেশ সরকার বহু দিন ধরে একটি জিনিস প্রচার করছে, পৃথিবীতে শঙ্কা, যুদ্ধ-বিগ্রহ এগুলো বন্ধে প্রয়োজন একটি শান্তির সংস্কৃতি। একাত্তর টিভি

তিনি বলেন, শিক্ষিত লোক যারা এর সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে তাদের প্রতি নজর রাখা সেভাবে সম্ভব নয়। আর সন্ত্রাসীদের কোনো ধর্ম বা দেশ নেই। তাই আমরা চেষ্টা করছি মানুষের মাঝে ভালোবাসা তৈরি করতে। আমরা আন্দোলন শুরু করতে চাই প্রত্যেক বাড়িতে, ঘরে, পরিবারে, মহল্লায়। সন্ত্রাস যে বেছে নেবে তাকে তাচ্ছিল্য করবে, ঘৃণা করবে সে রকম পরিবেশ তৈরি করতে হবে তাহলে হয়তো এধরণের অবস্থানে তারা যাবে না। কিন্তু নজরদারি করে বের করা যাবে না কে কে অপরাধী। এটি সহজ ব্যাপার নয়।

তিনি আরো বলেন, কোনো দুর্ঘটনা ঘটলেই মিডিয়া ইসলামের দোষ দেয়। যখন অন্য কেউ এধরনের কাজ করে তখন বলে তাদের মস্তিষ্ক খারাপ বা পাগল। আর যদি এর সাথে মুসলমানের দুরবর্তী সর্ম্পকও থাকে তখনই বলে ইসলামের জন্য এমন হলো। এভাবেই একটি বিষাক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে এগুলো দিন দিন বাড়ছে। এর জন্য বহুলাংশে মিডিয়া দায়ি। পৃথিবীর প্রত্যেক লোকই এক আদম-হাওয়ার সন্তান। এই জন্য হিংসা বিদ্বেষ, অন্যের প্রতি অশ্রদ্ধা, অসম্মান, এবং ধর্ম বর্ণ, রং এগুলোর উর্ধ্বে আমরা যদি মন সেটআপ করতে পারি তাহলেই এগুলো বন্ধ করা যাবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত