প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আজ চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

জাবের হোসেন : ১৮৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল যাত্রা শুরু হয়েছিল দেশের প্রধান এ সমুদ্রবন্দরের। ১৯৭৭ সালে ‘এসএস টেনাসিটি’ নামক জাহাজে ছয়টি কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং শুরু হয়। ১৯৮৮ সালেই এটি স্পর্শ করে এক লাখ কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের মাইলফলক। ২০০৮ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে ২০ ফুট দীর্ঘ কনটেইনার ওঠানামা হয় ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯৯টি। আর ২০১৮ সালে এসে এ সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ২৯ লাখের ঘর। একুশে টিভি

২০১০ সালে চার কোটি ৫৩ লাখ টন কার্গো পণ্য ওঠানামা হয়েছিল চট্টগ্রাম বন্দরে। ২০১৮ সালে এসে খোলা পণ্য ওঠানামার হার বেড়েছে ৯ কোটি ৬৩ লাখ টনেরও বেশি। ২০১০ সালে দুই হাজার ২০৩টি জাহাজ এসেছিল চট্টগ্রাম বন্দরে। ২০১৮ সালে একই বন্দর হ্যান্ডেল করেছে তিন হাজার ৭৪৭টি জাহাজ।

চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল জুলফিকার আজিজ বলেন, প্রতি বছর যে বাজেট হচ্ছে তার সিংহভাগ অর্থের জোগান দিচ্ছে এ বন্দর। কাক্সিক্ষত সেবা দিতে না পারলেও সীমিত সম্পদে সর্বোচ্চ সেবা দিচ্ছি আমরা।
পোর্ট ইউজার্স ফোরাম ও চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, সীমিত সম্পদ দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আমরা সর্বোচ্চ সেবা পাচ্ছি। নতুন টার্মিনাল চালু এবং নতুন যন্ত্রপাতি বহরে যুক্ত হলে বন্দরের সক্ষমতা যেমন বাড়বে তেমনি কমবে আমাদের খরচও।

বিজিএমইএর বন্দর ও কাস্টমবিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, নানা সীমাবদ্ধর পরও দেশের ভরসা চট্টগ্রাম বন্দর। পর্যাপ্ত অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও জেটি থাকলে এ বন্দরের সক্ষমতা আরও বাড়ত। তখন পণ্য নিয়ে আর কোনো জাহাজকে অপেক্ষা করতে হবে না। চলমান প্রকল্পগুলো দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করা হলে চট্টগ্রাম বন্দর হবে বিশ্বমানের বন্দর।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত