প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আদালতের নির্দেশের ১০ বছর পরেও উদ্ধার হয়নি আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল

ফাতেমা ইসলাম : ২০০৯ সালে আদালতের রায়ে দুই বছরের মধ্যে আদি বুড়িগঙ্গাকে পুনরুদ্ধার করতে বলা হলেও চ্যানেল উদ্ধার হয়নি দশ বছরেও। নদীর জমিতে হয়েছে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। জমি দখল করে বানানো হয় শতাধিক ঘর-বাড়ি-দোকানপাট। এ কারণে দশ কিলোমিটার দৈর্ঘের চ্যানেলটির অস্তি   কোনোমতে টিকে আছে এক কিলোমিটারে। – ইন্ডেপেন্ডেন্ট টিভি

ঢাকার কামরাঙ্গীরচরকে মাঝখানে রেখে বুড়িগঙ্গা নদী দুইভাগ হয়েছে। যার একটি প্রবাহমান বুড়িগঙ্গ, আরেকটি চ্যানেলকে সবাই চেনে আদি বুড়িগঙ্গা নামে। লোহারপুল হয়ে কালুনগরের দিকে চ্যানেলটির একটি অংশের অস্বিত্ব পাওয়া যায়, যার দৈর্ঘ প্রায় সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার।

সিএস-নকশায় এই চ্যানেলের বুকে পাঁচ একর জায়গায় আছে কামরাঙ্গীরচর সরকারি হাসপাতাল। আবর্জনা ফেলে ভরাটের কারণে হারিয়ে গেছে পানির প্রবাহ, দুপাড়ে আছে শতাধিক বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের ভেতরে চ্যানেলটির পাড়েই গড়ে উঠেছে সরকারি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র, বেসরকারি মেটাডোর গ্রুপের  বিনোদন পার্ক, মসজিদ, অফিস ভবন, আছে পান্না গ্রুপের ব্যাটারি কারখানা, অফিস ও মধু সিটি হাউজিং। এসব স্থাপনা ব্যক্তিমালিকানার জমিতে হলেও দখল হয়েছে নদীও। দুপাশের ভরাটে চ্যানেলটি এখন সরু নালা।

সিএস নকশায় আদি বুড়িগঙ্গার দুই শাখার অন্যটি হাইক্কার খাল হয়ে বয়ে গেছে বুড়িগঙ্গায়। তবে, মাঝখানে বাঁধ তৈরির কারণে বিলুপ্ত হয়েছে নদীর এ শাখাটি তা উদ্ধারে প্রশাসনের নেই কোনো পরিকল্পনা ।

তবে সম্প্রতি আদি বুড়িগঙ্গার কালুনগর পর্যন্ত অংশটি পুনরুদ্ধার করে হাতিরঝিলের আদলে বিশাল আয়তনের একটি বিনোদন পার্ক তৈরির পরিকল্পনা আছে সরকারের।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত