প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাবেক স্বামী ও শ্বাশুরির বিচার প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চাইলেন পপস্টার মিলা

আহমেদ শাহেদ : সাবেক স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির ‘অমানবিক নির্যাতনের’ বিচার দাবি করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মিলা ইসলাম।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে একটি রেঁস্তোরায় সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তিনি। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন মিলা। মিলার বাবা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেনেন্ট জেনারেল শহিদুল ইসলাম, মা ও ছোট বোন দিশা এ সময় তার পাশে ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে অঝোরে কেঁদে বিবাহিত জীবনের নানা ঘটনা তুলে ধরেন মিলা। সাবেক স্বামী বৈমানিক পারভেজ সানজারি ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগও সামনে আনেন। মিলা এর বিচার চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে।

সাবেক স্বামীর কথা উল্লেখ করে মিলা বলেন, ‘আমাকে প্রায় বাসা থেকে বের করে দিতো।’ একথা বলার পরই অঝোরে কাঁদা শুরু করেন মিলা।

তিনি বলেন, ‘দুই বছর অপেক্ষা করেছি। ভেবেছি এর প্রতিকার পাব। তাই প্রধানমন্ত্রীর শরণাপন্ন হইনি। কিন্তু এখন আর পারছি না। তাই মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার ওপর করা অমানুষিক নির্যাতনে বিচার চাই। শুধু শিল্পী নয়, ২০১১ সাল থেকে আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য। একজন কর্মী হিসেবেও এ দাবি আমার।’

তিনি অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে তার সাবেক স্বামী পারভেজ সানজারির বিরুদ্ধে করা মামলার ধারা পরিবর্তন করা হয়েছে।

মিলা বলেন, ‘বিচার তো দূরের কথা, দাখিল করা ‘খ’ ধারার চার্জশিট আমাকে না বুঝতে দিয়ে ‘গ’ ধারায় মামলা চার্জ গঠন করা হয়। আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। আমার জানা ছিল, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় কোনও রকমের হস্তক্ষেপে নেত্রীর কঠোর নিষেধ রয়েছে। তিনবার আদালতের আদেশ টানা অমান্য করলে জামিন বাতিল হবার কথা। পাঁচবার আমাকে কোর্ট নানান বুঝ দিয়ে পার্মানেন্ট জামিন দেয়।’

নির্যাতনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি যেদিন তাদের বাড়ি থেকে চলে আসি আমার স্বামীর কথায় আমার শাশুড়ি আমাকে বাথরুম থেকে দরজা ভেঙে বিনা কাপড় অবস্থায় জঘন্যভাবে টেনে আমার দেবর তার স্ত্রী এবং তার স্ত্রীর বাবা মায়ের সামনে এক ঘণ্টা গালিগালাজ করে। আমার বাবা ভাইবারের ভিডিও কলের মাধ্যমে পুরাটা ঘটনা দেখেন। এক পর্যায়ে আমি হাতজোড় করে ভিক্ষা চাই এই বলে, ‘আম্মু আমাকে মেয়ে বলে নিয়ে আসছিলেন, আমার গায়ে কাপড় নাই, দয়া করে আমাকে ঘরের দরজা বন্ধ করে যা বলার বলেন। কিন্তু এই অপমান করেন না।’

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের মে মাসে পারিবারিকভাবে বৈমানিক পারভেজ সানজারির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মিলা। বিয়ের পর গানে হয়ে পড়েন অনিয়মিত। সংসারে অশান্তির জের ধরে এক পর্যায়ে নারী নির্যাতন-যৌতুকের অভিযোগে এনে মামলা করেন স্বামী সানজারির বিরুদ্ধে। ইতি টানেন তার সঙ্গে দাপত্য জীবনের।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত