প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কক্সবাজারে ৩টি বিশেষায়িত পর্যটন অঞ্চল স্থাপনের উদ্যোগ, বিনিয়োগ ও নতুন কর্মসংস্থানের হাতছানি

হ্যাপি আক্তার : পর্যটন শিল্পে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ। সম্ভাবনা থাকলেও কাঙ্খিত হারে বিদেশি পর্যটকদের টানাও সম্ভব হচ্ছে না । এ খাতের উন্নয়নে কক্সবাজারে তিনটি বিশেষায়িত পর্যটন অঞ্চল স্থাপন করছে সরকার। এর মধ্যে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক শুধু বিদেশি পর্যটকদের জন্য। বিশেষায়িত এসব পর্যটন অঞ্চলের ফলে বাড়বে বিনিয়োগ এবং তৈরী হবে নতুন কর্মসংস্থান। – চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।

বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। তবে থাইল্যান্ডে যেখানে মাত্র ২-৩ কিলোমিটারের সৈকতে ভীড় জমায় হাজার হাজার পর্যটক। সে দিক থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সে তুলনায় পর্যটকের সংখ্যা একেবারে নগণ্য। শুধু কক্সবাজার নয় বাংলাদেশে রয়েছে বৈচিত্রময় সুন্দরবন, বিভিন্ন সংস্কৃতি আর পাহাড়ী সৌন্দর্যে ভরপুর পার্বত্য অঞ্চল, ঝরনা-চা বাগানের জেলা সিলেট এবং কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।এরপরও পর্যটনে এখনো বেশ পিছিয়ে বাংলাদেশ। প্রধান কারণ হিসেবে উঠে আসছে অব্যবস্থাপনা, নোংড়া পরিবেশ, সার্বিকভাবে আন্তর্জাতিক মানসম্মত সেবা দিতে না পারার বিষয়টি। তবে, পর্যটন খাতের বিকাশে এবং বিদেশী পর্যটক আকর্ষণে তিনটি পর্যটন পার্ক স্থাপনের কাজ করছে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।

এর মধ্যে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক উন্নত ও বিশ্বমানের সেবা নিয়ে বিশেষভাবে শুধুমাত্র বিদেশী পর্যটকদের জন্য গড়ে তোলা হচ্ছে। এখানে বিনিয়োগ হতে পারে ৩ বিলিয়ন ডলার। আর কর্মসংস্থান হতে পারে অন্তত ৪০ হাজার লোকের।আর নাফ এবং সোনাদিয়া ট্যুরিজম পার্ক তৈরী করা হচ্ছে সবার জন্য। এ ৩টি স্থাপন হচ্ছে কক্সবাজারের বিভিন্ন জায়গায়।

ট্যুরিজম অ্যান্ড হসটিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান বলেন, সরকার ১২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে আন্তর্জাতিকমানের ট্যুরিজম তৈরি করার জন্য। শুধুমাত্র আন্তর্জাতিকমানের পর্যটক ধরে রাখার জন্য।
বাংলাদেম ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, পর্যটকের কাঙ্খিত উন্নয়নের জন্য এর সাথে সম্পৃক্ত শিল্প বা প্রতিষ্ঠা রয়েছে, সেগুলোকেও একই সাথে উন্নত করতে হবে। সম্পাদনা : জামাল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত