প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মামলা ও জরিমানায় সীমাবদ্ধ স্পেশাল টাস্কফোর্সের কার্যক্রম, সচেতনতা ফিরছে না

মাসুদ আলম : রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। গত বছরের জুলাই মাসে বিমানবন্দর সড়কে দুই শিক্ষার্থী নিহতের পর নড়েচড়ে বসে ডিএমপি। এর পর থেকে ট্রাফিক সপ্তাহ, ট্রাফিক পক্ষ, ট্রাফিক শৃঙ্খলা কর্যক্রম পালনের পর এবার পালন করা হচ্ছে পুলিশের ‘স্পেশাল টাস্কফোর্স’।

প্রতিদিনই মামলা ও জরিমানা আদায় করা করছে ট্রাফিক পুলিশ। এরপরও সড়কে ও গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরছেনা। বন্ধ হয়নি যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো ও যত্রতত্র রাস্তা পারাপার। ফলে দুর্ঘটনাও কমছেনা। মঙ্গলবারও মৎসভবন এলাকায় বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা গেছে, বসুন্ধরা সিটির সামনের রাস্তায় ফুটওভারব্রীজ রয়েছে। অথচ পথচারিরা দৌঁড়ে রাস্তা পারাপার হচ্ছেন। একই অবস্থা ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের সামনের রাস্তাটি। ফুটওভারব্রীজ থাকলেও তেজগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যত্রতত্র রাস্তা পার হচ্ছেন। এছাড়া রাস্তা মাঝপথে বাস থামিয়ে যাত্রী তোলা হচ্ছে। নির্ধারিত বাস স্টপেজ থাকলেও অধিকাংশ বাস থামছেনা। কার আগে কে যাত্রী তুলবে সেই প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত তারা। এছাড়া ট্রাফিক উত্তরের উদ্যাগে পথচারিদের এক ঘন্টার কাউন্সিলিং করা হচ্ছে। ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ, জনসচেতনতা এবং ট্রাফিক শৃঙ্খলা আনতে গত ২৪ মার্চ থেকে শুরু হয় স্পেশাল টাস্কফোর্স এর কার্যক্রম। ২৩ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা আরো ১৫ দিন বাড়িয়ে ১০ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। তারপরও চালক ও পথচারিদের মধ্যে সচেতনা ফিরছেনা।

একাধিক বাস চালক বলেন, শুধু চালকদের একার পক্ষে আইন মানলে চলবেনা। সবাই সচেতন হলে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। চালকদের যেসব দাবী রয়েছে সেগুলো সরকার ও মালিকদের বিবেচনা করতে হবে। চালক ও হেলপারদের বেতনের আওতায় আনতে হবে।

পুলিশের ধানমণ্ডি ট্রাফিক জোনের সিনিয়র সহাকরি কমিশনার (এসি) আকরাম হোসেন বলেন, সড়কে অনেকটাই শৃঙ্খলা ফিরেছে। পুরোপুরি শৃঙ্খলা ফিরতে সময় লাগবে। পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সবাই সচেতন হলেই শৃঙ্খলা ফিরবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত