প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক বিশ্বকাপে ডাক পাওয়া খেলোয়াড়দের ডিপিএলের পারফরমেন্স

নিজস্ব প্রতিবেদ: ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ২০১৮-২০১৯ মৌসুমের টুর্নামেন্টটিতে প্রায় দেড়মাস ব্যস্ত সময় কাটালো ক্রিকেটাররা। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা অবশ্য সব ম্যাচ খেলেনি। একনজরে দেখে নেয়া যাক কিছুদিন আগেই ঘোষিত স্কোয়াডের জাতীয় দলের ১৭ সদস্য কেমন করেছে ডিপিএলে।

সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় সেরা দশে নেই জাতীয় দলের কোনো ব্যাটসম্যান। আজ রেকর্ডগড়া দ্বিশতক হাঁকিয়ে দ্বাদশ স্থানে উঠে এসেছেন সৌম্য সরকার। ১৩ ইনিংসে তার মোট রান ৫১১। স্ট্রাইকরেট শতাধিক (১০১.৩৮)। সর্বোচ্চ ইনিংস অপরাজিত ২০৮ রান। সৌম্য ডানহাতি মিডিয়াম পেসে উইকেট পেয়েছেন ১৩ উইকেট।

একটি শতক ও ৫টি অর্ধশতকে ৪৮৮ রান দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেনের নামের পাশে। অফস্পিনে শিকার করেছেন ১২ উইকেট। তারপর আছেন সদ্যই জাতীয় দলে ডাক পাওয়া ইয়াসির আলি। ১১ ইনিংসে এক শতক ও দুই অর্ধশতকে তার সংগ্রহ ৪১১ রান। স্ট্রাইকরেট প্রায় একশ ছুঁইছুঁই।

বিশ্বকাপ দলে থাকা ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন ৯ ইনিংসে দুই অর্ধশতকে করেছেন ৩২২ রান। আরেক উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লিটন দাস দুই অর্ধশতকে ৮ ইনিংসে করেছেন ২৮৭ রান।

জাতীয় দলের সমালোচিত ক্রিকেটার সাব্বির রহমান ১৪ ইনিংসে করেছেন ৩১৭ রান। লেগ স্পিনে উইকেট নিয়েছেন ৭টি। অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ ব্যাট হাতে ভালো করতে পারেননি। ৫ ইনিংসে করেছেন ৬৪ রান। ৮ ম্যাচে উইকেট পেয়েছেন ৯টি।

পেস অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ১০ ইনিংসে ৩ অর্ধশতকে করেছেন ২৪৩ রান। বল হাতে ১৩ ম্যাচে উইকেট নিয়েছেন ২৫টি। আসরের সেরা বোলিং ফিগার মাত্র ৯ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট শিকার এই ডানহাতি পেসারের দখলে।

বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি ১৪ ম্যাচে শিকার করেছেন ২১ উইকেট। ব্যাট হাতে করেছেন ৬ ইনিংসে ৮৯ রান। বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ১টি ম্যাচ খেলে পেয়েছেন ৩ উইকেট।

৬ ম্যাচে রুবেল হোসেনের শিকার ৭ উইকেট। ওয়ানডে দলে প্রথমবারের মতো ডাক পাওয়া ডানহাতি অফ স্পিনার নাইম হাসান ১১ ম্যাচে পেয়েছেন ১৫ উইকেট ও আবু জায়েদ রাহি পেয়েছেন ১০ ম্যাচে ১২ উইকেট।

উল্লেখ্য, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল ডিপিএলে খেলেননি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত