প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ক্যারিয়ার ছোট কিন্তু প্রাপ্তি অনেক, বললেন ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া নাজমুল

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার বেশি লম্বা হয়নি বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক পেসার নাজমুল হোসেনের। তবে বাংলাদেশের জার্সিতে নিজের অর্জনের খাতা যথেষ্ট দীর্ঘ মনে করেন মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর ঘোষণা করা এই পেসার। ৩১ বছর বয়সে ক্রিকেটকে নাজমুল, দেশের হয়ে ২টি টেস্ট, ৩৮টি ওয়ানডে ও ৪টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫০ উইকেটের মালিক তিনি।

২০০৪ সালে ওয়ানডে ও টেস্ট অভিষেক হয় নাজমুলের। ২০১২ সালের সর্বশেষ দেশের হয়ে খেলেছেন তিনি। দীর্ঘদিন দলের বাইরে থাকা নাজমুল কখনই জাতীয় দলে জায়গা পাকা করতে পারেননি। ইনজুরির সাথে লড়াই করে খেলে গেছেন প্রায় পুরো ক্যারিয়ার। তবে ছোট্ট ক্যারিয়ারেই বেশ কিছু বড় অর্জনের সাক্ষী নাজমুল নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন।

মিরপুরে সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘আমি নিজেকে ধন্য মনে করি, আকরাম ভাই, সুমন ভাই বলেন, উনাদের মত লিজেন্ডদের সাথে খেলতে পারি। আমার যেই বয়স ছিল, মাশরাফি ভাই, সাকিব, তামিম… ওদের সাথে খেলতে পেরেছি। সব মিলিয়ে ক্রিকেট থেকে অনেক কিছু পেয়েছি। বাংলাদেশ ভারতের সাথে প্রথম ওয়ানডে জিতেছে, সেই ম্যাচটা আমি খেলেছি। প্রথম অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে, সেটা আমি খেলেছি। প্রথম শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছি, সেটা আমি খেলেছি। এইগুলো চিন্তা করলে আমার মনে হয় আমি ভাগ্যবানই ছিলাম। ছোট ক্যারিয়ার, কিন্তু আমার প্রাপ্তি অনেক।’

২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রেখে ২০১২ সাল পর্যন্ত খেলে গেলেও মাত্র ৪৪টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কা সফরে দলে ডাক পেলেও অনুশীলনেই ইনজুরির শিকার হতে হয় তাকে। এরপর জাতীয় দলে সুযোগ মিলে নি নাজমুলের।

নাজমুলের ভাষ্য, ‘আমি সব মিলিয়ে যদি… খেলার দিক থেকে চিন্তা করেন তাহলে কম খেলেছি। কিন্তু দলের সাথে ছিলাম প্রায় ১১ বছর। শেষের দুই বছর, ২০১৪’র পর থেকে আমি সব দিক থেকেই ধুঁকতে শুরু করছিলাম। তখনই আমার মনে হয়েছিল লাকি না হলে আমার আবার ফিরে আসা কঠিন হবে। যখন ফিট ছিলাম তখনও আমি আসা যাওয়ার মধ্যে ছিলাম। আমি প্রথম টেস্ট খেলার পর সাত বছর পর দ্বিতীয় টেস্ট খেলেছি।’

পেশাদার ক্রিকেটের পাট চুকিয়ে এবার কোচিংয়ে মনোযোগ দিতে চান এই সাবেক পেসার। এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ দিয়ে কোচিং ক্যারিয়ারের সূচনা করেছেন তিনি। নাজমুল আরো বলেন, ‘আমি এখনো চিন্তা ভাবনা করি নি। আমি সাকিবের সাথে আলাপ করেছি, মুশফিকের সাথে আলাপ করেছি, রিয়াদের সাথে বা মাশরাফি ভাই, রাজ ভাই, যারা আমার সার্কেল, তাদের সাথে আলাপ করেছি। ওরা সবাই বলেছে, এক বছর টানাহ্যাঁচড়া করে খেলার চেয়ে কোচিং কর। ওরা বলেছে আমি পারব। আমার তো ন্যাশনাল টিমে কোনো ফিউচার নাই। আমি সুজন ভাইয়ের সাথে কথা বলেছি। আমি চাই না আমার মত বোলাররা হারিয়ে যাক। আজকের পর তো সিজন শেষ। ঈদের পর আমি শুভাশিষ, শহীদ, আল আমিন, তাসকিন বা ৮-১০ জন যেই বোলার থাকবে, আমি চাইব পারসনালি ওদের সাথে কাজ করতে যেন ওরা আমার মত হারিয়ে না যায়।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত