প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শ্রীলঙ্কার ঘটনায় অন্য দেশের জঙ্গিরা তৎপর হতে পারে, বললেন মনিরুল

ইসমাঈল ইমু : শ্রীলঙ্কার জঙ্গি হামলার ঘটনায় অন্য দেশের জঙ্গিরা তৎপর হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। মঙ্গলবার সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন-ক্র্যাব আয়োজিত ‘মিট উইথ মনিরুল ইসলাম’ শিরোনামে অপরাধ বিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিমিয় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ক্র্যাবের সভাপতি আবুল খায়ের, সাধারণ সম্পাদক দীপু সারওয়ার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস্ বিভাগের ডিসি মাসুদুর রহমানসহ ক্র্যাব নেতৃবৃন্দ ও সিটিটিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ একটি গ্লোবাল সমস্যা। কর্ম ও ধর্ম ভেদে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলছে। কোনো দেশই সন্ত্রাসবাদের বাইরে নয়। সন্ত্রাসবাদ শুধু আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দমন করতে পারেনা। আফগানিস্তান ও ইরাকে সম্ভব হয়নি। এক্ষেত্রে জনসম্পৃক্ততাা প্রয়োজন। এর আগে সহিংস উগ্রবাদ মোকাবেলা করতে হবে। সরকারের নীতি ও জনসমর্থনের কারণে জঙ্গি নিয়ন্ত্রনে এসেছে, তবে নিষ্ক্রিয় করা যায়নি।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় উগ্রপন্থা আমদানির ঘটনায় এক দেশের সন্ত্রাসী ঘটনায় অন্য দেশের সন্ত্রাসীরা উৎসাহিত হয়। হলি আর্টিজানে হামলার পর ইন্দোনেশিয়ার এক সন্ত্রাসী দু:খ প্রকাশ করেছিল। একইভাবে ইন্দোনেশিয়ার এক ঘটনায় বাংলাদেশের জঙ্গিরা হতাশা প্রকাশ করেছিল। শ্রীলঙ্কার ঘটনাও আমাদের এখানকার জঙ্গিরা মনে করতে পারে। তবে তাদের সেই ক্ষমতা নেই। জনগসের স্বতস্ফুর্ত সহযোগিতা পেলে জঙ্গিবাদ নির্মুল করা যাবে। এখনো যারা বিচ্ছিন্নভাবে রয়েছে তারা সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে।

সন্ত্রাসবাদ হলো একজনকে মারবে আর এক লাখ মানুষকে ভীত করবে। সন্ত্রাসবাদের সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যমকর্মীদের সতর্ক হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের বড় চ্যালেঞ্জ সোস্যাল মিডিয়া। জিহাদ, শহীদ, মুজাহিদ ইত্যাদি শব্দের ব্যবহারে সতর্ক হওয়া দরকার।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত