প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঘটনার ৫ দিন পরও কেটে নেয়া পা এখনো মেলেনি কালা মিয়ার

ফয়সল আহমেদ খান, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: পাঁচদিন পেরিয়ে গেলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের বাসিন্দা কালা মিয়ার (৪৫) কেটে নেয়া পায়ের হদিস মিলেনি এখনো। পূর্ববিরোধের জের ধরে গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি আবুল বাশার ও তার লোকজনেরা কালা মিয়ার ডান পা কেটে নেয়। ইতিমধ্যে আবুল বাশারকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে তার প্রাথমিক সদস্য পদ বাতিলর্পূবক স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কাছে চিঠি দিয়েছে উপজেলা কমিটি।

এদিকে,পাচদিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন কালা মিয়া ও তার ছেলে বিপ্লব মিয়া (১৯)। এ ঘটনায় আবুল বাশারকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের নামসহ অজ্ঞাত আরও ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন কালা মিয়ার স্ত্রী সালমা আক্তার। তবে এখন পর্যন্ত মূল অভিযুক্ত আবুল বাশার পুলিশের হাতে ধরা না পড়ায় শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কালা মিয়ার পরিবারের লোকজন।তবে পুলিশ এজাহারে নাম নেই এমন ৪জনকে আটক করেছে।

আহত কালা মিয়ার পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বাঞ্ছারমপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের কালা মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের বাসিন্দা ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আবুল বাশারের বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরে গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে আবুল বাশার ও সহযোগীরা কালা মিয়া এবং তার ছেলে বিপ্লব মিয়াকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে প্রথমে টেঁটাবিদ্ধ করেন। এরপর কালা মিয়া মাটিতে লুটে পড়লে ধারালো দা দিয়ে তার ডান পায়ের হাঁটু থেকে নিচ পর্যন্ত কেটে নিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় কালা মিয়ার ছেলে বিপ্লবের দুই পায়ের রগও কেটে দেয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকায় মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত