শিরোনাম
◈ মে‌সির দাপ‌টে বড় জয় ইন্টার মায়া‌মির ◈ ইরা‌নের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো শত্রুর দিকে তাক করে রাখা হয়েছে: অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ◈ ইং‌লিশ লি‌গে দারুণ এক জয় পে‌লো ম‌্যান‌চেস্টার সি‌টি ◈ হামে মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি, সমালোচনা এড়াতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কম দেখাচ্ছে ◈ গাজীপুরে গরুচোর সন্দেহে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা, ট্রাক জ্বালিয়ে দিল জনতা ◈ সান্ডারল‌্যা‌ন্ডে হোঁচট খে‌লো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ◈ বিশ্বকাপে মে‌ক্সি‌কো‌তে এক মাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি দেওয়া হবে ◈ আজ তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন থালাপতি বিজয়, উপস্থিত থাকবেন রাহুল গান্ধী ◈ শুভেন্দুর নেতৃত্বে আস্থা, প্রশংসায় শেখ হাসিনা ◈ ড্রোনের পর এবার সমুদ্রের নিচে তুরস্কের নতুন ‘গোপন ঘাতক’, উন্মোচিত প্রথম দেশীয় মিনি-সাবমেরিন

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০১৯, ১১:০১ দুপুর
আপডেট : ২৩ এপ্রিল, ২০১৯, ১১:০১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গুজরাট দাঙ্গার শিকার বিলকিস বানুকে ৫০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ২০০২ সালে গুজরাটে সংঘঠিত ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হামলার শিকার বিলকিস বানুকে ৫০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দিতে গুজরাট সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। দাঙ্গা চলাকালে বিলকিস বহুবার ধর্ষণের শিকার হয়। তার নবজাতক সন্তানকে তার সামনেই হত্যা করা হয়। হিন্দুস্তান টাইমস, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

প্রাথমিকভাবে গুজরাট সরকার বিলকিসকে মাত্র ৫ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দিতে চেয়েছিলো। ২০০২ সালে দাঙ্গার সময় বিলকিসের বয়স ছিলো মাত্র ১০। সেসময় সে গর্ভবতী ছিলো।

৩ মার্চ দাহুদের কাছে রাধিকাপুর গ্রামে বিলকিস আর তার পরিবারকে কট্টরপন্থী হিন্দুরা আক্রমণ করে। সেসময় তাকে গণধর্ষণের শিকার হতে হয়। এই ঘটনায় শুধু বিলকিস আর তার দুই পুরুষ আত্মীয় প্রাণে বেচে যায়। তার মা, বোন, শিশুকণ্যা এবং অন্য আত্মীয়দের খুন করা হয়।

এরপরই আহমেদাবাদে এই মামলার বিচার শুরু হয়।

২০১৭ সালে এক রায়ে গুজরাট হাই কোর্ট ৭ জনকে এই ঘটনায় জড়িত বলে দায়ি করে। এদের মধ্যে ৪ জন পুলিশ সদস্য এবং দুই জন চিকিৎসক। এরমধ্যে রয়েছেন আইপিএস অফিসার আরএস ভাগোড়া।

হাইকোর্ট জানায় তার বিরুদ্ধে দাঙ্গায় অংশ নিয়ে খুন এবং ধর্ষণের সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে।

২০০২ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে এক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়। এই দাঙ্গায় প্রায় ২ হাজার জন মারা যান। যাদের অধিকাংশ মুসলিম। ধর্ষণের শিকার হন বিপুল সংখ্যক মুসলিম নারী। সম্পাদনা : ইকবাল খান

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়