প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গরমে সুস্থ থাকতে করণীয়

নিউজ ডেস্ক: বসন্ত শেষে শুরু হয়েছে গ্রীষ্মকাল। গ্রীষ্মের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে গরম হাওয়া বইছে। বেড়েছে রোদের খরতাপ। গরমে বাইরে ঘোরাফেরা, স্কুল-কলেজ, অফিসসহ বিভিন্ন কাজে ঘরের বাইরে যেতেই হবে। এ গরমে সুস্থ থাকা দায়! গরমে হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন আপনি। তাই থাকেতে হবে সতর্ক।

আসুন জেনে নিই গরমে কীভাবে সুস্থ থাকবেন-

প্রচুর পানি পান করুন: গরমে সুস্থ থাকতে পানি পানের বিকল্প নেই। গরমের সময় অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর পানি স্বল্পতা দেখা দেয়। শরীরের পানি ও লবণ ঘাটতি মেটানোর জন্য মুখে খাওয়ার স্যালাইন গ্রহণ করা উচিত। এ ছাড়া গরমে শিশুকে পরিমাণমতো পানি অবশ্যই পান করাতে হবে, যাতে শিশুর শরীরে পানি স্বল্পতা দেখা না দেয়।

খাবার স্যালাইন: গরমে ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণপানি বেরিয়ে যায়। তাই শরীরে লবণপানির ঘাতটি মেটাতে খাবার স্যালাইন খাওয়া যেতে পারে। খাবার স্যালাইন শরীরের পানি স্বল্পতা দূর করে।

চোখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন: প্রচণ্ড গরমে বাইরে বের হলে অনেকেরই চোখ জ্বালা করে। এ পরিস্থিতিতে চোখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিলে আরাম লাগবে। চোখ ভালো থাকবে।

শরীর থেকে দুর্গন্ধ দূর করতে গোসল: গরমে শরীর ঘামের কারণে দুর্গন্ধ হয়। এ সময় পরিচ্ছন্নতার জন্য গরমকালে সাবান দিয়ে গোসল করা ভালো। যদি সম্ভব হয় তবে দুবার গোসল করা যেতে পারে।

চোখের অস্বস্তি দূর করতে সানগ্লাস: গরমে অতিরিক্ত রোদে চোখে অস্বস্তিবোধ হওয়াই স্বাভাবিক। পারলে এ অবস্থায় চোখে সানগ্লাস পরা যেতে পারে। সানগ্লাস চোখকে রোদের অস্বস্তি থেকে রেহাই দেবে।

খেতে হবে শাকসবজি ফলমূল: গরমের দিনে চর্বিযুক্ত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা ভালো। চর্বিজাতীয় খাবারে শরীর আরও উত্তাপ লাভ করবে। ঘাম ও অস্বস্তি দুই-ই বাড়বে। চর্বির সঙ্গে অতিমাত্রায় চিনিযুক্ত খাবারও এড়িয়ে চলা স্বস্তিদায়ক। এ সময় নিয়মিত খাবারের তালিকায় যোগ করতে হবে ফলমূল ও শাকসবজি।

অ্যাজমা রোগীদের সতর্ক থাকতে হবে: অতিরিক্ত গরমে অনেকেরই অ্যাজমার সমস্যা তীব্র হয়। এ অবস্থায় অ্যাজমা রোগীরা যাতে গরমের অস্বস্তিকর পরিবেশের মুখোমুখি না হন, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। চিকিৎসকের দেয়া চিকিৎসা নিয়মিতভাবে গ্রহণ করতে হবে; মেনে চলতে হবে উপদেশগুলো।

সূর্যের পোড়া এড়াতে সানস্ক্রিন: সূর্যের দাবদাহ থেকে ত্বককে রক্ষার জন্য শরীরের উন্মুক্ত অংশে সানস্ক্রিন ক্রিম মাখা যেতে পারে। সানস্ক্রিন প্রতি তিন ঘণ্টা অন্তর মাখতে হয়। সূত্র: যুগান্তর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত