প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতা এখন গণমাধ্যমের নিয়মিত শিরোনাম

রুহুল আমিন : সাম্প্রতিক সময়ের নিয়মিত সংবাদ শিরোনাম, ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টা। কখনও ছয় সন্তানের জননী,কখনও কলেজছাত্রী বাদ যাচ্ছে না শিশুও। চলতি মাসের এ পর্যন্ত ৪০টির বেশি ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার খবর মিলেছে। চ্যানেল টুয়েন্টি ফোর।

শিশু অধিকার ফোরামের তথ্য বলছে, এ বছরের প্রথম তিন মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৬৪ জন শিশু। এরমধ্যে প্রতিবন্ধী ৭ জন। ধর্ষণচেষ্টা ও ধর্ষণের পর হত্যার শিকার ২০ জন। এসব ঘটনায় আটক ও গ্রেপ্তার হয়েছে অনেকে।

তবে আলোচিত হয়েছে, নোয়াখালীতে পর পর দুটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, শিক্ষাঙ্গণে যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদ করায় ফেনীর নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যা, বাগেরহাটে মাদ্রাসা ছাত্রী ও এক শিশুধর্ষণসহ বেশ কিছু ঘটনা।
অভিযুক্তের তালিকায় শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, নারী ও শিশুরা কোথায় নিরাপদ?

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী বলেন, আমরা কোন জায়গায় নিরাপদ এটা এখন সবসময় চিন্তা করতে হয়। যারা মেয়েদেরকে খারাপ চোখে দেখে তারা পশুর চেয়ে অধম। তাদের বিরুদ্ধে কঠিন আইন বাস্তবায়ন করা দরকার। তাদের ঘরে কি কোনো মা বোন নেই।

সমাজ বিশ্লেষকরা মনে করেন, নারীর প্রতি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো তথা চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আনা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরাধ করলে পার নেই এ কথা বুঝিয়ে দিতে হবে। যতো প্রভাবশালীই হোক, দ্রুত বিচারের আওতায় আনার পরামর্শ তাদের।

সরকারি বেসরকারি সংস্থার হিসাব বলছে, ২০১৭ সালের চেয়ে ২০১৮ সালে শিশু ধর্ষণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। আর চলতি বছরে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যৌন হেনেস্থার শিকার হয়েছেন প্রায় ২০ জন নারী। পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে, সারাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের মামলা হয়েছে এক হাজারের বেশি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত