প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভূয়া কাজীদের প্রতারনার বিরুদ্ধে অভিযোগ বাড়ছে

ময়মনসিংহ জেলা সদরে মাঠে নেমেছে একাধিক ভূয়া কাজী। বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রির নামে চলছে প্রতারণা। প্রকৃত কাজীরা কাজ পাচ্ছে না। সরকারের রাজস্ব ফাকি দিয়ে মহলটি অবৈধ উপার্জনে লিপ্ত থাকছে। এমনকি অবৈধ উপায়ে বালাম বই সংগ্রহ করে অনিয়ম, দুর্নীতি চালাচ্ছে একটি চক্র। প্রশাসনের কাছে এদের দৌরাত্বের বিরুদ্ধে অভিযোগ বাড়ছে। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা রেজিষ্ট্রার বরাবরে একাধিক অভিযোগ সূত্রে জানা যায় ময়মনসিংহে অন্তত ৪জন ভূয়া কাজী দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধভাবে কাজীগিরি করে অবাধ দূর্নীতিতে লিপ্ত রয়েছে।

ময়মনসিংহের সিটি কর্পোরেশনে ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিষ্ট্রার আব্দুল মান্নান এর নামে ইন্ডেন্ট নেই, তিনি নিজেই বালাম বই অবৈধ পন্থায় সংগ্রহ করেন। ত্রিশাল উপজেলার ধানীখলার কাজী সামীউল হাসান মোল্লার কাছ থেকে বালাম বই সংগ্রহ করে থাকে একাধিক ভূয়া নিকাহ রেজিষ্ট্রার অপতৎপরতায় চালাচ্ছে। ময়মনসিংহ সদরের সুহিলা মাজিহাটির খাইরুল ইসলাম ভাটি ঘাগড়ার জাকির হোসেন পাড়াইল গ্রামের দেলোয়ার হোসেন প্রমূখ ভূয়া নিকাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রেশণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যপারে ঘাগড়া ইউনিয়নের নিকাহ রেজিষ্ট্রার লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা রেজিষ্ট্রার সরকার লুৎফুল কবীর গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি ঘাগড়া ইউপি চেয়ারম্যানকে পত্র দিয়ে খাইরুল ইসলামের বিবাহ তালাক রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম বন্ধের জন্য ব্যবস্থা নিতে বলেন। জেলা রেজিষ্ট্রার অবৈধ ব্যক্তি বা ভূয়া কাজীদের বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রেশন অবৈধ বলে বিবেচিত উল্লেখ করেন। এদিকে অপর আরো একটি অভিযোগে দাবি করা হয়। ময়মনসিংহ আদালত পাড়ায় বসে জনৈক জালাল উদ্দিন ভূয়া বালাম বইয়ের মাধ্যমে ভূয়া বিয়ে ভূয়া তালাক রেজিষ্ট্রি করে চলেছেন। এতে সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও অপরাধ প্রবনতা মামলা মোকাদ্দমা পর্যন্ত গড়াচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় ভূয়া কাজীর সিন্ডিকেট ঘরে তুলে এরা মামলা মোকাদ্দমা থেকেও টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। ময়মনসিংহ শহরের ৭নং ওয়ার্ডের কাজী আব্দুল লতিফ এ ব্যপারে অভিযোগ দিয়ে বলেন তার অধিক্ষেত্রে ভূয়া কাজীদের দৌরাত্বে চরমে উঠেছে।

বাল্য বিয়ে, প্রেমিক-প্রেমিকাদের পালিয়ে বিয়ের ভূয়া কাবিন করে এসব অবৈধ কাজী মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কোন প্রতিকার নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত