প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

১৫ দিনের আগে প্রিন্সকে হাসপাতাল থেকে সরানো সম্ভব না, বললেন খন্দকার মোশাররফ

সমীরণ রায় : শ্রীলংকায় ভয়াবহ সিরিজ বোমা হামলায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাতি জায়ান মারা যাওয়ার পাশাপাশি মেয়ে শেখ আমেনা সুলতানা সোনিয়ার স্বামী মশিউল হক চৌধুরী প্রিন্সের দুটি পা ড্যামেজ (অকেজো) হয়ে গেছে। তিনি শ্রীলঙ্কার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। কমপক্ষে ১৫ দিন না গেলে তাকে হাসপাতাল থেকে মুভ করানো সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

সোমবার সকালে শেখ সেলিমের বনানী বাসা থেকে বের হয়ে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন খন্দকার মোশাররফ।এ সময় সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর, সাবেক নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান উপস্থিত ছিলেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, শেখ সেলিমের জামাই প্রিন্স খুব বাজেভাবে আহত হয়েছেন। তার দুটো পা ড্যামেজ (অকেজো) হয়ে গেছে। কমপক্ষে ১৫ দিন না গেলে তাকে হাসপাতাল থেকে মুভ করানো সম্ভব হবে না। ব্রেকফাস্ট করার জন্য জামাই এবং তার ছেলে জায়ান চৌধুরী একটি হোটেলে পৌঁছেছিলেন। হোটেলের নিচেই আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে জায়ান নিহত হয়।

জানা গেছে, শেখ সেলিমের ছেলে শেখ ফাহিম প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে ব্রুনাই গিয়েছিলেন। সেখান থেকে শ্রীলংকায় গেছেন। অপর ছেলে শেখ নাইম তার মাকে সঙ্গে নিয়ে শ্রীলংকায় পৌঁছেছেন।

শ্রীলংকায় অবস্থান করা সেলিমের মেয়ে সোনিয়া, জামাই প্রিন্স ও তাদের দুই সন্তান কলম্বোর পাঁচতারকা হোটেল সাংগ্রিলায় ছিলেন। হামলার দিন সকালে জামাতা প্রিন্স ছেলে জায়ানকে নিয়ে হোটেলের নিচতলার রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলেন নাস্তা করতে। অন্য সন্তানকে নিয়ে হোটেল রুমেই ছিলেন সোনিয়া। এসময় বিস্ফোরণ ঘটে।

গতকাল রোববার শ্রীলংকায় খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের ইস্টার সানডে চলাকালে গির্জা এবং বিলাসবহুল হোটেল ও অন্যান্য স্থাপনায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯০ জনে। পুলিশের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত