প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মৃত্যুর অপেক্ষায় সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ

আরিফ জেবতিক, ফেসবুক থেকে: সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ আর আমাদের মাঝে নেই। ( ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাহি রাজেউন।)

সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ এখনও বেঁচে আছেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন যে মাহফুজ উল্লাহর শারিরীক অবস্থা ভালো নয়, তিনি কোমায় আছেন। চিকিৎসকরা সব চেষ্টা বাদ দিয়েছেন এবং তাঁর শেষ সময় শান্তিপূর্ণ ভাবে যাতে হয় সেটি নিশ্চিত করছেন। কোনো বড় মিরাকল না ঘটলে সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ আমাদের এই জগতে আর সুস্থ ভাবে ফিরে আসবেন না, বরং যে কোনো সময় তিনি আল্লাহর কাছে চলে যাবেন।

সুতরাং আমরা তাঁকে এখনই মেরে না ফেলে তাঁর প্রকৃত মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে পারি আরো কিছু সময়। অন্তত একজন সাংবাদিকের ব্যাপার যেহেতু, তাই নূন্যতম তাঁর মারা যাওয়ার পরেই না হয় সংবাদটি দেই।
একটু ধৈর্য‌্য ধরুন। আল্লাহ ধৈর্যশীলদের পছন্দ করেন।

এদিকে সিনিয়র সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ বেঁচে আছেন। তার মৃত্যুর খবরকে গুজব বলে জানিয়েছেন তার মেয়ে নুসরাত হুমায়রা। রোববার (২১ এপ্রিল) বিকেলে তিনি সময় টিভিকে একথা জানান।

এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে মাহফুজ উল্লাহর মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়। তবে এ খবর সত্য নয় বলে সময় সংবাদকে জানান মাহফুজ উল্লাহর ভগ্নিপতি তালুকদার মহিবুল হোসেন।

তিনি বলেন, গত কয়েকদিন তাকে লাইফসাপোর্টে রাখা হয়। আজ রোববার দুপুরে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেয়া হয় এবং বলা হয়, তোমরা তাকে দেশে নিয়ে যেতে পারো। তার সঙ্গে মেয়ে নুসরাত হুমায়রা মেঘলা আছে।

তিনি জানান, মেঘলা বলেছেন, উনার (মাহফুজ উল্লাহর) লাইফ সাপোর্ট খুলে দেয়া হয়েছে। তবে এখনো বেঁচে আছেন। আজ রাতেই হয়তো উনার শেষ রাত হতে পারে।

৬৯ বছর বয়সী মাহফুজ উল্লাহ বর্তমানে থাইল্যান্ডের ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি হৃদরোগ, কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন।

গত ২ এপ্রিল সকালে ধানমন্ডির গ্রিন রোডে মাহফুজ উল্লাহ তার নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখা‌নে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ১১ এপ্রিল অসুস্থ মাহফুজ উল্লাহকে ব্যাংককে নেয়া হয়। সেখানকার বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ দেশের একজন প্রথিতযশা সাংবাদিক। ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতি করা মাহফুজ উল্লাহ ষাটের দশকে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। সাংবাদিকতা ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতাও করেছেন তিনি। সবশেষ তিনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত