প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডিপিএলে আবাহনী-রুপগঞ্জের শিরোপা লড়াই দারুণ জমে উঠেছে, অপেক্ষা শেষ ম্যাচ পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসরের প্রথম ম্যাচে হারলেও টানা এগারোটা জয় পাওয়ায় শিরোপা জেতা একরকম নিশ্চিতই হয়েছিল লিজেন্ড অব রুপগঞ্জের। কিন্তু সেটার জন্য অপেক্ষা বাড়লো শেষ ম্যাচ পর্যন্ত। শুধু তাই নয়, শেষ ম্যাচে ভালেঅ কিছু উপহার না পেলে শিরোপা চলে যেতে পারে আবাহনীর হাতে।

লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জের বিপক্ষে আজ ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের (ডিপিএল) ম্যাচে ১০২ রানের বিশাল জয় পেয়েছে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের আবাহনী। আর এই জয় দিয়ে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে তারা।

বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে আবাহনীর ছুঁড়ে দেয়া ৩৭৮ রানের পাহাড়সম লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭৫ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় নাঈম ইসলামের রুপগঞ্জ।

দলটির পক্ষে ব্যাট হাতে দারুণ লড়াই করেছেন ১৯ বছর বয়সী ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান ১৩৪ বলে ২টি ছয় এবং ১৩টি চারের সাহায্যে খেলেছেন ১২২ রানের অপরাজিত একটি ইনিংস। অপরদিকে লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শহীদের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৭ বলে ৫৩ রান।

আবাহনীর পক্ষে বল হাতে সফল ছিলেন স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ। ১০ ওভারে ৬৫ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। আর ২০ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।

এদিন আবাহনীর দেয়া বিশাল লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ১৪৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসেছিল রুপগঞ্জ। কিন্তু এক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটিং করে যাচ্ছিলেন ওপেনার নাঈম। এরপর তাঁর সাথে যোগ দেন লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শহীদ।

পরবর্তীতে সপ্তম উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটসম্যান। তবে ৪টি ছয় এবং ৪টি চারের সাহায্যে ৪৭ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে ২৩৯ রানের মাথায় বোল্ড হয়ে ফিরতে হয় শহীদকে। এরপর আর বেশিদূর যেতে পারেনি রুপগঞ্জ।

এর আগে ডিপিএলের অলিখিত এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটির শুরুতে ব্যাটিং করতে নেমে রুপগঞ্জের বিপক্ষে ৩৭৭ রানের পাহাড়সম পুঁজি পায় মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের আবাহনী। এই স্কোরের পেছনে সবথেকে বেশি অবদান ছিল জাতীয় দলের ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকারের। মাত্র ৭৯ বলে ১৫টি চার এবং ২টি ছক্কায় ১০৬ রানের বিধ্বংসী একটি ইনিংস খেলেছেন তিনি।

তবে শুধু সৌম্যই নয়, আক্রমণাত্মক ছিলেন জাতীয় দলের আরেক ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুনও। মাত্র ৩৪ বলে ৬৪ রানের অপরাজিত ক্যামিও ইনিংস খেলার মধ্য দিয়ে দলকে বিশাল পুঁজি এনে দিয়েছেন তিনি। তাঁর ইনিংসটিতে ছিল ২টি ছয় এবং ৭টি চার।

ওপেনার জহুরুল ইসলামও অবশ্য কম যাননি। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৮৩ বলে ৭৫ রানের আরেকটি দুর্দান্ত ইনিংস। এছাড়াও ওয়াসিম জাফর ৪৬ এবং সাব্বির রহমান ৩৩ রান করতে সক্ষম হন। সাব্বির এই ইনিংসটি খেলেছেন মাত্র ২৪ বলে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত