প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

১৫ মাসের কাজ ৩ মাসে, গচ্চা গেলো ৯ কোটি টাকা!

সাজিয়া আক্তার : পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীর পাঁচ কিলোমিটার এলাকার চর অপসারণসহ খনন কাজ নকশা ও নিয়ম না মেনে ১৫ মাসের কাজ শেষ করে মাত্র ৩ মাসে। ফলে বছর না ঘুরতেই নদী আবারও ভরাট হয়ে যায়। আর এতে উপকারের পরিবর্তে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এলাকাবাসী। বাংলা ট্রিবিউন

বারুণী মন্দির থেকে কালিয়াগঞ্জ বাজার এলাকা পর্যন্ত খনন কাজের মাধ্যমে নদীতে পানির স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনা, নাব্য বাড়ানো, সেচ সুবিধার মাধ্যমে কৃষি ও মৎস্য সম্পদ বাড়ানো এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। এতে এই প্রকল্পে সরকারের বরাদ্দ বিপুল অর্থের বেশির ভাগই জলে গেছে।

নদী খননে দুর্নীতির অভিযোগ করে স্থানীয়রা জানান, খননের আগে যেখানে বুক থেকে গলা পর্যন্ত পানি ছিল, খননের পর সেখানে হাঁটুজল প্রবাহিত হচ্ছে।

ঠিকমতো নদী খনন না হওয়ায় সুফল পাচ্ছেন না স্থানীয়রা । ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য, ৬০ মিটার প্রস্থ ও ৩ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করে তোলা বালু ২০০ মিটার দূরে অপসারণের কথা ছিল। কিন্তু যেনতেনভাবে খনন করে নদীর ওপরই বালি ফেলা হয়। ফলে গত বর্ষায় আবারও বালি গড়িয়ে নদী ভরাট হয়ে যায়। চর অপসারণ ও খনন করে কোনও কাজেই আসেনি, বরং খননের পর নদীর পানি, মাছ ও ফসল উৎপাদন কমেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড পঞ্চগড়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান বলেন, নদী পরিণত হয়েছে ছোট খালে। ‘করতোয়া নদীর যে পাঁচ কিলোমিটার খনন করা হয়েছে, ওই এলাকায় বর্তমানে সুন্দরভাবে পানি প্রবাহিত হচ্ছে, মাছ বেড়েছে, কিছু জমি নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে; যেটা পরবর্তীতে কাজে লাগানো সম্ভব।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত