প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফিওরেন্তিনাকে হারিয়ে ইতালিয়ান লিগ চ্যাম্পিয়ন জুভেন্টাস

স্পোর্টস ডেস্ক : চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে পড়ার হতাশা ভুলে লিগ শিরোপা জয়ের উল্লাসে মেতে উঠলো জুভেন্টাস। ফিওরেন্তিনাকে হারিয়ে টানা অষ্টমবারের মতো সেরি আর (ইতালিয়ান লিগ) মুকুট পরলো প্রতিযোগিতার সফলতম দলটি।
ঘরের মাঠে শনিবার স্থানীয় সময়ে বিকালে ২-১ গোলে জিতে পাঁচ ম্যাচ হাতে রেখে শিরোপা উল্লাসে মেতে ওঠে জুভেন্টাস। ডিসেম্বরে লিগের প্রথম পর্বে দলটির মাঠে ৩-০ গোলে জিতেছিল তুরিনের ক্লাবটি।

গত মঙ্গলবার এই মাঠে আয়াক্সের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে যায় জুভেন্টাস। চার দিন পর সেখানেই প্রিয় সমর্থকদের উৎসবের উপলক্ষ্য এনে দিলো মাস্সিমিলিয়ানো আল্লেগ্রির শিষ্যরা।

শিরোপার হাতছানিতে মাঠে নামা জুভেন্টাস ম্যাচের শুরুতেই গোল খেয়ে বসে। ষষ্ঠ মিনিটে ডান দিকের বাইলাইন থেকে ফেদেরিকো চিয়েজার নেওয়া নিচু শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান গোলরক্ষক ভয়চেখ স্ট্যাসনি; কিন্তু বিপদমুক্ত করতে পারেননি। আলগা বল ছোট ডি-বক্সের মুখে পেয়ে জোরালো শটে জালে জড়ান সার্ব ডিফেন্ডার নিকোলা মিলেঙ্কোভিচ।

৩৪তম মিনিটে আবারও গোল খেতে বসেছিল স্বাগতিকরা। তবে ইতালিয়ান ফরোয়ার্ড চিয়েজার জোরালো শট ভাগ্যের ফেরে পোস্টে বাধা পায়। ৪৩তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে তার নেওয়া বুলেট গতির শট ক্রসবারে লাগলে আবারও বেঁচে যায় শিরোপাধারীরা।

অতিথিদের এই দুই হতাশার মাঝে সমতায় ফেরে শুরু থেকে নিজেদের মেলে ধরতে ব্যর্থ হওয়া ইউভেন্তুস। ৩৭তম মিনিটে মিরালেম পিয়ানিচের কর্নারে দুরূহ কোণ থেকে নিচু হয়ে দারুণ হেডে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার আলেক্স সান্দ্রো।

দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে সৌভাগ্যসূচক গোলে এগিয়ে যায় জুভেন্টাস। ডান দিক দিয়ে গতিতে একজনকে ফাঁকি দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে বাইলাইন থেকে গোলমুখে শট নেন রোনালদো। বল আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার হের্মান পেস্সেইয়ার পায়ে লেগে গোলরক্ষকের দুপায়ের ফাঁক গলে ভিতরে ঢোকে।

এগিয়ে যাওয়ার পর প্রতিপক্ষের উপর প্রবল চাপ তৈরি করে ইউভেন্তুস। ৬৪তম মিনিটে রোনালদোর শট প্রতিপক্ষের পায়ে প্রতিহত হওয়ার পর ফিরতি বলে পিয়ানিচের জোরালো শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান গোলরক্ষক। শেষ দিকে ফরাসি মিডফিল্ডার ভাইয়ান দাবোর শট ঠেকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন গোলরক্ষক স্ট্যাসনি।
ইতালির শীর্ষ লিগে এই নিয়ে মোট ৩৫টি শিরোপা জিতলো ইউভেন্তুস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ বার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এসি মিলান ও ইন্টার মিলান।

৩৩ ম্যাচে ২৮ জয় ও তিন ড্রয়ে চ্যাম্পিয়নদের পয়েন্ট ৮৭। ২০ পয়েন্ট কম নিয়ে দুই নম্বরে আছে এক ম্যাচ কম খেলা নাপোলি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত