প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হুজুরের সেই বিরক্তিকর ওয়াজ নিয়ে সমালোচনার ঝড়! (ভিডিও)

ডেস্ক রিপোর্ট  :  ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ওয়াজ শুনতে ভালোবাসেন ওয়াজের কথা শুনলেই অনেক মানুষ দূর-দুরন্তে ছুটে যান। তবে কিছু আলেম নামধারী ব্যক্তিদের জন্য তাদের সম্মান ও মর্যাদাহানি হচ্ছে। তাদের হাস্যকর ওয়াজের কারণে ইসলামের সৌন্দর্য ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

সম্প্রতি ফেসবুক ও ইউটিউবে মুফতী মাজহারুল ইসলাম মাজহারী নামে এক মুফতির বিরক্তিকর ওয়াজ ভাইরাল হয়েছে।

ফেসবুক ভাইরাল হওয়া ওই ওয়াজে দেখা যাচ্ছে, নরসিংদীতে অনুষ্ঠিত ওয়াজ মাহফিলে এই মাওলানা সারাক্ষণ অপ্রাসঙ্গিক কথায় কান্না করে ওয়াজ করছেন।

কান্নাস্বরে তিনি কোথায় কোনদিন ওয়াজ তারও বর্ণনা করেন। এছাড়া তার ভারতে ওয়াজ করতে গিয়েছেন দাবি করে কান্না করতে থাকেন।এ নিয়ে ফেসবুকে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

ওয়াজ মাহফিলে এরকম নিজের ব্যক্তিগত হাজারো কথা বলে, ওয়াজের শুরে কান্না করতে থাকেন এই হুজুর। আমার ওয়াজ করতে রাজশাহী যাওয়ার কথা ছিল….বগুড়া যাওয়ার কথা ছিল……..সুর করে টেনে টেনে নানাবিধ ভঙ্গিতে এসব বলতে থাকেন ওই হুজুর।

ফেসবুকে একজন রসিকতা করে লিখেছেন, একটি হেদায়াতি আলোচনা! আহা! যতবার শুনি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে যাই। একেই তো বলে ওয়াজ মাহফিল!! আপনিও শুনে দেখতে পারেন। নিশ্চিত জীবন পরিবর্তন (?)

ওয়াজটি ইউটিউবে প্রথম প্রকাশকারী ইউটিউব চ্যানেল তাকওয়া মিডিয়ার এক কর্মকর্তার সঙ্গে যুগান্তরের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়।

তিনি তার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভাই, এই লোক (মুফতি মাজহারি নামের বক্তা) এ ওয়াজটি আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করার জন্য বারবার তাগাদা দিচ্ছিল। আমরা ওই ওয়াজটি না শুনেই আপ করে দিয়েছিলাম। পরে ওয়াজটি নিয়ে সমালোচনার পর তা আমাদের চ্যানেল থেকে ডিলিট করে দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের কাছ থেকে যারা কপি করে আপ করেছে তাদের ভিডিওগুলো এখনও ইউটিউব ও ফেসবুকে রয়ে গেছে।

ওয়াজ কেমন হওয়া উচিত?

এ বিষয়ে মিরপুর আকবর কমপ্লেক্সের প্রিন্সিপ্যাল বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মুফতি দেলওয়ার হুসাইন যুগান্তরকে বলেন, ওয়াজ হলো একটি ধর্মীয় বিষয়। এটিকে কৌতুক বা বিনোদন বানানো যাবে না। মানুষের ধর্মীয় ও নৈতিক উন্নতি হল ওয়াজের মূল বিষয়। তাই এক্ষেত্রে বক্তাদের অনেক বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে।

ওয়াজের বিষয় ও ভাষা কেমন হওয়া উচিত এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বাবলীল ও সহজ ভাষায় মানুষের সামনে ধর্মীয় বিষয়গুলো উপস্থাপন করতে হবে। ফেতনা বা বিতর্ক সৃষ্টি হয়, সাধারণ মানুষের বোধগম্য নয় এমন বিষয়ে বয়ান করা যাবে না। আলোচনা হতে হবে কোরআন হাদিস নির্ভর। গালগল্প বা অহেতুক বিষয় ওয়াজ মাহফিলের আবেদন নষ্ট করে দেয়।

যেসব বক্তা অহেতুক বিষয় বা বিরক্তকর বিষয়ে বয়ান করেন তাদের ব্যাপারে করণীয় কী জানতে চাইলে মুফতি দেলওয়ার বলেন, আসলে ওয়াজের ময়দানে কারো একক নিয়ন্ত্রণ নেই। তাই এমন বক্তাদের থামানো যাচ্ছে না। দাওয়াত দেয়ার ক্ষেত্রে মাহফিলের আয়োজদের সচেতন হওয়া দরকার। ভালোমানের আলেমদেরই দেয়া উচিত। তাহলে এসব বক্তাদের কদর কমে যাবে।

ভিডিও ক্লিপটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন ……………………………………….

একটি হেদায়াতি আলোচনা! আহা! যতবার শুনি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে যাই। একেই তো বলে ওয়াজ মাহফিল!! আপনিও শুনে দেখতে পারেন। নিশ্চিত জীবন পরিবর্তন(?)

Gepostet von Shoaib Howlader am Freitag, 12. April 2019

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত