প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাড়ে ৮ মাসেও ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি, কর্মীরা উদ্বিগ্ন

রুহুল আমিন : ছাত্রলীগের সম্মেলনের পর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা কয়েকবার জানিয়েছেন, পদপ্রত্যাশীদের তালিকা পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই করে নেতৃত্ব বেছে নেওয়া হবে। পরিশ্রমি, ত্যাগী, মেধাবী, নিয়মিত ছাত্র, সাহসী, শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়, পরিচ্ছন্ন ইমেজ ও সাংগঠনিক দক্ষতা সম্পন্ন এবং যারা অতীতে আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন, তাদেরই প্রাধান্য দেওয়া হবে।

এসব নিয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর সাথে কথা বলতে চাইলেও তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি। পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়াই অনেকেই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তারা আরো বলেছেন পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলে দল এমনকি শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালি হবে।

নতুন কমিটির অপেক্ষায় থাকা সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসূচী ও পরিকল্পনা সম্পাদক রাকিব হোসেন বলছিলেন, হ্যাঁ কমিটি না থাকায় সাংগঠনিকভাবে তো কাজ এগোয় না। কমিটি না থাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে তো একটা হতাশাই বিরাজ করছে। বিষয়টি নিশ্চয়ই আমাদের নেতারা চিন্তা করছেন। আশা করি তারা ইতিবাচকভাবেই এগোচ্ছেন।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান রনি বলেন, শুধু সভাপতি-সেক্রেটারি নির্ভর একটি কেন্দ্রীয় কমিটি দীর্ঘদিন এভাবে চলতে পারে না। যেসব কর্মী দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগের সঙ্গে আছে বিভিন্ন কমিটির অধীনে, তাদের নিয়ে সাংগঠনিক কমিটির মাধ্যমে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। পূর্ণাঙ্গ কমিটি না করে, মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সম্মেলন না দিয়ে, শুধু দু’জন সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে সংগঠন চললে তা ভাল দেখায় না। এতে সংগঠন শক্তিশালী হয় না। সংগঠন অনেকটা মানবদেহের মতো। বর্তমানে শুধু মাথা আছে, শরীরের আর কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ না থাকার মতো। তাছাড়া মাদক মুক্ত সংগঠন গড়ে তুলতে পদ প্রত্যাশীদের ড্রাগ টেস্ট করে কমিটি দিলে খুবই ভাল হয়।

কবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, আমাদের জাতির পিতা সর্বদা সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতেন। আর এই উপলব্ধিবোধ থেকেই তিনি একে একে ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের সৃষ্টি করেছেন। আমি বিশ্বাস করি, জাতির পিতার কন্যার তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটিও সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী। তবে সংগঠন সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার পূর্বশর্তই হচ্ছে অতিদ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা। সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপর আস্থা রাখি যে, উনারা শিগরিই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করবেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত