প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কার্যকর কিছু না হলে নামকাওয়াস্তে বড় জোট করে ফল পাওয়া যাবে না, বললেন বিশ্লেষকরা

নুর নাহার : জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট শুরু থেকেই অনেকটা গোঁজামিল দিয়ে চললেও নির্বাচন পরবর্তী সময়ে শরীকদের মধ্যে বাড়ছে দূরত্ব। গণ ফোরামের এক সদস্য এমপি হিসেবে শপথ, অন্য জনের এক পা এগিয়ে থাকার ব্যাপারে কারো কাছে কোনো ব্যখ্যা নেই। এসব দিক বিবেচনায় এই জোটের সঙ্গে থাকা নিয়ে লাভ লোকসানের হিসাব কষছে বিএনপি। বিশ্লেষকরা বলছেন, কার্যকর কিছু না হলে নামকাওয়াস্তে বড় জোট করে কোনো ফল পাওয়া যাবে না। যমুনা টিভি

সংসদ নির্বাচনের প্রায় ২ মাস পর ২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে গণশুনানী করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এতে সরকার বিরোধী প্রায় সব দলকে আমন্ত্রণ করা হলেও সাড়া দেয়নি কেউ। এমনকি ২০ দলের শরীকদেরও বেশির ভাগ যায়নি শুনানীতে।

এলডিপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন সেলিম বলেন, ২০ দল এবং ঐক্যফ্রন্ট মিলে সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার ছিলো। ঐক্যফ্রন্ট শুনানীতে ডাকবে এবং আগের দিন ফোন করে বলবে আপনাকে আসতে হবে সেটা হতে পারে না। এটি রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভুত।

নির্বাচনের আগে ৭ দফার একটিও আদায় করতে পারেনি ঐক্যফ্রন্ট। নিরপেক্ষ সরকার কিংবা খালেদা জিয়ার মুক্তি ইস্যুতে তেমন কোনো চাপও তৈরি করতে পারেনি। সব শেষ সংসদ নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করলেও রাজ পথে কোনো শক্তি দেখাতে পারেনি তারা। প্রশ্ন ওঠেছে কোথায় সফলতা আছে, ঐক্যফ্রন্টের কার্যকারিতাই বা কতোটুকু ?

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন : যদি বাস্তবে কোনো কর্মকান্ড না থাকে, গ্রগনযোগ্যতাও থাকে না। কারন বাস্তবিকই রাজনৈতিক মাঠ কখনো খালি থাকতে পারে না। এখানে উদ্যেগের প্রয়োজন রয়েছে আর বাংলাদেশের বড় সংকট এখানেই।

ওদিকে গণফোরামের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে সামগ্রিক ঐক্যপ্রক্রিয়া। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে শপথ নিয়ে সংসদে গেছেন সুলতান মুনসুর। এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় মুকাব্বির খান। দলের মধ্যে দৃঢ়তা না থাকলে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে, কিভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করবেন তারা এ প্রশ্নও তুলছেন অনেকেই।

গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হয়েছে জাতীয় সংকট মোকাবেলা করার জন্য। সংকট শুধু নির্বাচন কেন্দ্রিক নয়। আমাদের নতুন করে কিছু ভাবতে হবে। কি ধরনের আন্দোলন আমরা করবো ? সব সময় যে রাজপথে আন্দোলন করতে হবে এমনও নয়।

বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, যেসব নেতা জনগণ থেকে হারিয়ে গিয়েছিলেন, যাদের কোনো দলও নেই। কখনো রাজনৈতিক কর্মকান্ডে দেখা যাচ্ছিলো না। হঠাৎ করে তারা লাইম লাইটে এসে গেছেন এটাও বিএনপির অবদান। সব দিক দিয়ে ঐক্যফ্রন্ট এবং তার নেতাদের অনেক লাভ হয়েছে। বিএনপির কোনো লাভ হয়েছে বলে আমি মনে করি না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত