প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যুক্তরাজ্যে আশ্রয় নেওয়া সব দণ্ডিত অপরাধীদের ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ

তরিকুল ইসলাম : যুক্তরাজ্যে আশ্রয় নেওয়া সব দণ্ডিত অপরাধীদের ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে থাকা বহুল আলোচিত দণ্ডিত অপরাধীদের বাংলাদেশে ফেরাতে দেশটির সাহায়তা চেয়ে অনুরোধও করেছে ঢাকা। বিশেষ করে দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া দণ্ডিত অপরাধী কোনো ব্যক্তির আলাদা নাম (তারেক রহমান) উচ্চারণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিদায়ী সাক্ষাৎ আসেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের বিদায়ী হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লেকের কাছে এ অনুরোধ জানান। দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের সকল দণ্ডিত অপরাধীদের ফেরত দেওয়ার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের বিদায়ী হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেকের সঙ্গে বৈঠকে সুনির্দিষ্ট করে আমরা কোনো অপরাধীর নাম নেইনি। তবে সেখানে আশ্রয় নেওয়া সব দণ্ডিত অপরাধীকেই ফেরত দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।

যদিও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে এর আগের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলীর ২০১৫ সালে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে ছিলেন। মূলত সরকারবিরোধী আগ্রাসী বক্তৃতা ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়া থেকে তারেক রহমানকে বিরত রাখতে এ অনুরোধ জানানো হয়েছিলো। কিন্তু সে সময় এর কোনো প্রতিউত্তর দেশটির পক্ষ থেকে ঢাকাকে জানানো হয়নি।

কূটনৈতিক সূত্র মতে, তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থানের সুযোগ নিয়ে এমন সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন, যা বাংলাদেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার পাশাপাশি স্বার্থের পরিপন্থী। তারেক রহমানের যাবজ্জীবন সাজা তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের জন্য বিশেষ কোন সুযোগ তৈরি করছে না বলেও মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে আইনের দৃষ্টিতে পলাতক থাকায় তারেক রহমানের বক্তৃতা-বিবৃতি গণমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তারেক রহমান ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন। সুতরাং ব্রিটিশ সরকার এমন কোন পদক্ষেপ নেবে না যাতে তিনি কোন ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েন। ইংল্যান্ডের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ আহমেদ বিবিসিকে বলে ছিলেন, তারেক রহমান প্রমাণ করতে পেরেছেন যে বাংলাদেশে ফেরত গেলে তার ওপর জুলুম হবে। তিনি বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন বলেই তাকে আশ্রয় এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত