প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৬ মাস হাসপাতালে থাকার পর ঘরে ফিরল বিশ্বের সবচেয়ে ছোট ১ পাউন্ডের শিশু

রাশিদ রিয়াজ : মাত্র ১ পাউন্ডের শিশুটি ভূমিষ্ট হওয়ার পর গত আগস্ট থেকে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসকদের তদারকিতে থাকতে হয়েছে। ডাক্তারদের হাতে শিশুটিকে একটি খেলনার মত দেখতে লাগছিল। তাকে হাতে নিয়ে খেতে দেয়া হত। জন্মের সময় তার ওজন ছিল শূণ্য দশমিক ৫৯ পাউন্ড। এক টুকরো মাখনের সমান ওজন। টোকিওর কেইও ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে সি-সেকশন করেই চিকিৎসকরা শিশুটিকে ভূমিষ্ট করান। ২৪ সপ্তাহে তার যতটুকু বেড়ে ওঠা প্রয়োজন ছিল মায়ের গর্ভে ততটুকু বেড়ে ওঠেনি সে। চিকিৎসকরা প্রথমে কিছুটা চিন্তায় পড়ে যান সে বেঁচে থাকবে কি না। কিন্তু এই শিশুটি ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে বেড়ে ওঠে এবং তার ওজন এখন বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৭.১৪ পাউন্ড। নির্ধারিত সময়ের দুই মাস পরেই তাকে বাড়ি যেতে হয়েছে চিকিৎসকদের গভীর পর্যবেক্ষণের জন্যে।

তার প্রতিটি নিঃশ্বাস পর্যবেক্ষণ করতেন চিকিৎসকরা। নিবিড় পরিচর্যায় সে এক পর্যায়ে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ার শক্তি অর্জন করে। কিওডো নিউজকে ড. তাকেশি বলেন, যত ছোটই হোক সেও তো হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে যেতে পেরেছে এটি ভাবতেই ভাল লাগছে। এর আগে জার্মানিতে যে ছোট্ট শিশুটি জন্মগ্রহণ করে তাকেও হার মানিয়েছে জাপানি এই শিশুটি। জার্মানিতে ২০০৯ সালে ওই শিশুটির ওজন ছিল শূন্য দশমিক ৬১ পাউন্ড। এবং জার্মানিতেই ২০১৫ সালে ছোট মেয়ে শিশু জন্মগ্রহণ করে যার ওজন ছিল শূন্য দশমিক ৫৫ পাউন্ড। জাপানে সাধারণত ৯০ ভাগ ছোট শিশু জন্মের পর টিকে যায় যাদের গড় ওজন ২.২১ পাউন্ড। দি সান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত