প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কোড নম্বরে অর্থ জমা রেখে বেসরকারি চাকুরিজীবীরাও পাবেন পেনশন

কালাম আঝাদ: থাকবে একটি ইউনিক কোড। ফলে চাকুরি পরিবর্তন হলেও অপরিবর্তিত থাকবে কোড নম্বর। আর ওই কোড নম্বরে মাসিক অর্থ জমা রাখার মাধ্যমে চাকুরি শেষে বেসরকারি চাকুরিজীবীরাও পাবেন পেনশন। এমন রূপরেখায় বেসরকারি খাতের চাকুরিজীবীদের জন্য পেনশন স্কিম চালু করা হচ্ছে। যার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। দেশের ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ তরুণ হওয়ায়, তারা একইসঙ্গে প্রবীণ হবেন- এমন চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। না হয় সরকারের একার কাঁধে প্রবীণদের দায়-দায়িত রাখাটা দূরূহ হবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, বেসরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য পেনশন স্কিম চালুর উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়। শুধু চাকুরীজীবী নয় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সব পেশার মানুষই যাতে পেনশন স্কিমের আওতায় থাকে, এমন উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

সূত্র জানায়, বেসরকারি চাকুরিজীবীদের পেনশন প্রদানে ‘কন্ট্রিবিউটারি পেনশন ফান্ড’ নামে একটি তহবিল গঠন করা হচ্ছে। এতে অংশ নেবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানও। চাকুরি শেষ হওয়ার পর নিরাপত্তাহীনতা ঘোঁচাতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

জানা গেছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের পূর্বে ৬ এপ্রিল এনজিওকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় সর্বপ্রথম বেসরকারি খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পেনশনের বিষয়টি উঠে আসে। পরে সেবার বাজেট বক্তব্যে সে সময়ের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘নগরায়নের কারণে একক পরিবারের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে ভবিষ্যতে আর্থিক ও সামাজিকভাবে নিরাপত্তাহীন হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। এ ঝুঁকি মোকাবিলা করা সরকারের একার পক্ষে দুরূহ। তাই দেশের শ্রমজীবী মানুষসহ প্রবীণদের জন্য একটি সর্বজনীন ও টেকসই পেনশন পদ্ধতি চালু এখন সময়ের দাবি।’

সূত্র জানায়, একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে কন্ট্রিবিউটারি পেনশন ফান্ডের একটি রূপরেখা প্রণয়নের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এই রূপরেখা প্রণয়ন হলে সেটি অনুমোদনের জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। এরপরই এটি চালুর উদ্যোগে নেওয়া হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত