প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কর্ণফুলি নদীতে পড়ছে ২ হাজার টন পলিথিন-প্লাস্টিক বর্জ্য, অস্তিত্ব রক্ষা হুমকির মুখে

হ্যাপি আক্তার : খাল-নালা হয়ে চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীতে প্রতি মাসে পড়ছে অন্তত ২ হাজার টন পলিথিন-প্লাস্টিক বর্জ্য। পলিথিন-প্লাাস্টিক বর্জ্য চট্টগ্রাম বন্দরের ক্যাপিটেল ড্রেজিং প্রকল্পকেও করছে বাধাগ্রস্ত। কেননা, ড্রেজারে মাটির পরিবর্তে উঠে আসছে প্লাাস্টিক বর্জ্য। ২০১১-১৩ সালেও একই প্রকল্প হুমকির মুখে পড়ে প্লাাস্টিক বর্জ্যরে কারণে। এবার কাজ শুরুর আগে সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো উচিত ছিলো বলে মত বিশেষজ্ঞদের। তা না হলে নদীর অস্তিত্ব রক্ষায় হুমকির মুখে পড়বে। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।

২০১৪ সালের এক গবেষণা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরের প্রায় ২০ লাখ বাসা থেকে খাল-নালা হয়ে প্রতিমাসে কর্ণফুলী নদীতে পড়ে ২০ লাখ কেজি পলিথিন ও প্লাাস্টিক বর্জ্য। স¤প্রতি তার প্রমাণ মিলেছে নদী খননে। প্রতিটি খাল-নালার মুখ ছাড়াও নদীর বিভিন্নস্থানে মাটির পরিবর্তে উঠে আসছে পলিথিন-প্লাস্টিক।

সংশ্লিষ্ঠরা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে কম বেশি ১৫টি কারখানায় নিয়ম উপেক্ষা করে ৫৫ মাইক্রোনের নিচে পলিথিন বানানো হচ্ছে। আসছে বাইরে থেকেও। ফলে দিন শেষে যার জায়গা হচ্ছে দেশের অর্থনীতির প্রাণ কর্ণফুলি নদীতে।
পরিবেশবিদ প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী বলেছেন, মারাত্বক বিপর্যন্ত বস্তুকে আমরা সমাজ ও পরিবারের অপরিহার্য অংশ বানিয়ে ফেলেছি। তবে সচেতনাতাই কমাতে পারে এই প্লাস্টিকের ব্যবহার।

পলিথিন বন্ধ বা নদীতে বর্জ্য পড়া ঠেকাতে তেমন উদ্যোগ নেই সরকারি সংস্থাগুলোর। তবে এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি বলেন, পলিথিন ৬০ শতাংশ কমিয়ে ফেলেছি। তানা হলে এই অংশগুলো নদীতে গিয়ে পড়তো। সম্পাদনা : রেজাউল আহ্সান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত