প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সিমলা নিজেই বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলো পলাশকে

বিনোদন ডেস্ক : সামসুন নাহার সিমলা কিন্তু চলচ্চিত্র পাড়ায় সিমলা নামেই পরিচিত তিনি। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত এই নায়িকা তেমন চলচ্চিত্রে এখন কাজ করছেন না। সর্বশেষ তিনি সংবাদের শিরোনাম হয়েছিলেন তার থেকে বয়সে ছোট মাহি বি জাহান পলাশের সাথে বিয়ে নিয়ে। এরপর বেশ অনেক দিন আলোচনায় ছিলেন না তিনি। তবে সম্প্রতি আবারো তাকে নিয়ে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে সেই মাহি বি জাহান পলাশেকে নিয়েই।

চট্টগ্রামে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমান ছিনতাইয়ে চেষ্টাকারী পলাশের মৃত্যুর পর থেকে শোনা যাচ্ছিলো নায়িকা সিমলার নাম। দেশের বাইরে থাকায় সংবাদকর্মীরা সিমলা সাথে প্রথমে যোগাযোগ করতে না পারলেও পরে বেশ অনেকবার চেষ্টা পর স্যোসাল যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তায় আসেন নায়িকা সিমলা। জানান তার সাথে পলাশের বিয়ে, পরিচয় ও ডিভোর্স নিয়ে নানা বিষয়।

ওই বার্তায় সিমলা পলাশের সাথে পরিচয় হওয়া নিয়ে বলেন, ‘২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আমার সঙ্গে পরিচয় পলাশের। আমি পরিচালক রশিদ পলাশের ‘নাইওর’ ছবি করেছিলাম। সেদিন পরিচালক রশিদ পলাশের জন্মদিন ছিল। আমাকে সেখানে ইনভাইট করেছিলেন তিনি। আমি সেখানে গিয়েছিলাম। সেখান থেকেই পলাশের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। এরপর ওর সাথে আমার বেশ ঘনিষ্ঠতা হয়। ধীরে ধীরে তা প্রেমে রুপ নেয়।

বিয়ের প্রসঙ্গ টেনে সিমলা বলেন বলেন, ‘ আমি পলাশকে প্রথমে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ছিলাম। এরপর ২০১৮ সালের ৩ মার্চ আমরা বিয়ে করি। ওই বছরেরই নভেম্বরে আমাদের ডিভোর্স হয়েছে।

কী কারণে ডিভোর্স দিয়েছিলেন জানতে চাইলে নায়িকা সিমলা বলেন, ‘ডিভোর্স দেয়ার মূল কারণ হচ্ছে- মানসিক সমস্যা। আমি জানতাম সে দেশের বাইরে থাকতো। আমি তার পাসপোর্ট দেখতে চাইলে দেখাতো না। পরে আমি লুকিয়ে ডিভোর্স দেখি কিন্তু সেখানে দেশের বাইরের কোন ভিসা ছিলো না। তাছাড়া শে বিভিন্ন বিষয়ে অনেক মিথ্যা বলতো। এমনি কি সে যে আগে বিয়ে করেছিলো সেটিও আমাকে বলেনি আগে ’

পলাশের আর্থিক অবস্থা কেমন ছিলো জানতে চাইলে সিমলা বলেন, ‘আসলে আমরা কখনো স্বামী-স্ত্রী যেমন এক সাথে থাথে তেমন ভাবে থাকিনি। আমি মিডিয়াতে কাজ করি তাই বেশীভাগ সময় বাইরেই থাকতাম। তাছাড়া ওর টাকা দিয়ে চলার কোন মন-মানসিকতা আমার ছিলো না। তবে তার পারিবারিক অবস্থা আমি যতটুকু জানি মধ্যবিত্ত। আর তার বাবা-মা মাটির মানুষ।’

পলাশকে প্রযোজক হিসেবেই চিনতেন উল্লেখ করে সিমলা বলেন, ‘পেশা হিসেবে আমি যেটা জানতাম-জানি সেটা হলো পরিচালক রশিদের ‘কবর’ ছবিতে প্রযোজক হিসেবে ছিলেন পলাশ । আমি তাকে একজন প্রযোজক হিসেবেই চিনি। আমি ঘটনার সবই শুনেছি। আমার এখন কী করা উচিত। যেহেতু উনাকে (পলাশ) আমি ডিভোর্স দিয়ে ফেলেছি। আমাদের ডিভোর্স হয়েছে চার মাস চলছে। গতবছরের নভেম্বর মাসের ৬ তারিখে ডিভোর্স হয় আমাদের। এখন আমার কী করণীয় আছে।’

অভিনেত্রী ও মডেল সিমলা চলচ্চিত্রে পা রাখেন ১৯৯৯ সালে শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালনায় ম্যাডাম ফুলি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। প্রথম ছবি দিয়েই শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। তিনিই প্রথম অভিনেত্রী যিনি তার অভিষেক চলচ্চিত্রেই শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত