প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিমানে নিরাপত্তার ক্রুটি না থাকলে ছিনতাই চেষ্টা হতো না, বললেন ক্যাপ্টেন অব: আলমগীর সাত্তার

}

রুহুল আমিন : সাবেক বৈমানিক ক্যাপ্টেন অব: আলমগীর সাত্তার বলেছেন, আমি বাসা থেকে বের হবার সময় বিমান ছিনতাই ও দুর্ঘটনার খবর শুনতে পাই। বিমান ছিনতাই এর সাথে জড়িত পলাশের সাথে পিস্তল পাওয়া যায়। পিস্তল ভুয়া না আসল তা সম্পর্কেও বিভিন্ন বক্তব্য রয়েছে। বিমান ছিনতাই এর ঘটনার সময় দুটি পটকা ফুটিয়ে ছিলো। বিমান প্রতিমন্ত্রী প্রথমে বলেছিলেন বিমানে নিরাপত্তার কোন ক্রুটি নেই। নিরাপত্তার ক্রুটি না থাকলে বিমানে ছিনতাই এর কাহিনী ঘটলো কিভাবে। বিমান মন্ত্রীর কথা আমার কাছে কোন গুরুত্ব মনে হয় না। মন্ত্রীর অযথা কথা না বলে যুক্তিসঙ্গত কথা বলা উচিত। বিমানে যদি কেউ প্লাষ্টিক নিয়েও ঢুকে তাহলে তো সে ধরা পড়বে। বিমানে পিস্তল নিয়ে ঢুকলো কিভাবে নিরাপত্তা কর্মীরা কি করেছিলেন।

মঙ্গলবার ডিবিসির রাজকাহনে তিনি আরো বলেন,যাই হোক বিমানে নিরাপত্তার ঘাটতি আছে। ঘাটতি না থাকলে কয়েকদিন পরপর সোনা, ড্রাক ধরা পড়তেছে কিভাবে। এগুলো কোথা থেকে ধরা পড়তেছে। কেউনা কেউ তো অবশ্যই সহযোগিতা করছে। সহযোগিতা যদি না করতো তাহলে অবৈধ কারবারীরা বিমানে অবৈধ ব্যবসা করার সাহস পেতো না। তিনি বলেন আমি জানি বিমানের এক নিরাপত্তা কর্মীর উত্তরায় সাত তলা বাড়ি আছে। সে কিভাবে নিরাপত্তা কর্মী হয়ে এত টাকার মালিক হলো। অবৈধ কাজ না করলে একজন নিরাপত্তা কর্মী হয়ে কিভাবে এত টাকার মালিক হয়। কাজেই মন্ত্রীর উচিত অযথা কথা না বলে তদন্ত করা।

তিনি আরো বলেন, এ কাহিনী থেকে সিগন্যাল হিসেবে গ্রহণ করতে পারি। কারণ এর পর হয়তো বড় কোন দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। এটি আর্শীবাদ হিসেবে গ্রহণ করা উচিত। বিমানে নিরাপত্তার জন্য সাড়ে ৩০০ কোটি টাকার খরচ করা হয়েছে। তারপরও কেনো নিরাপত্তার উনœিত হয় না। বিমানে আরেকটি সমস্যা হলো ভিআইপি। আমাদের দেশে ভিআইপির সংখ্যাটা বেশি হয়ে গেছে। অন্য দেশে তো এত ভিআইপি নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত