প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অগ্নিকাণ্ডের পর সংকুচিত চকবাজারের ব্যবসা-বাণিজ্য, খেলাপি ঋণ বাড়ার শঙ্কায় ব্যাংকররা

হ্যাপি আক্তার : পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে বন্ধ চকবাজারের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের অনেকেই ভয়ে দোকান খুলছেন না। যেসব বাড়ির ভেতর গুদাম রয়েছে সেখান থেকেও সরানো যাচ্ছে না পণ্য। এতে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সংকটের মুখে পড়তে পারে ব্যাংকিং কর্মকাণ্ড। ঋণের অর্থ আদায় নিয়ে আছে সংকট। যমুনা টেলিভিশন।

চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডেরপর থেকে সংকুচিত রয়েছে চকবাজারের বাণিজ্য। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তারও কোনো ঠিক নেই। গোদামগুলো আর খোলা হবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে নানা মত।  ব্যবসায়ীরা বলছেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণে অনেক মানুষ মারা গেছে। কোটি টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছে। এমন অবস্থায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় ব্যাংকাররা। সোনালী ব্যাংকের শাখা থেকে ঋণ দেয়া হয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা। কিন্তু অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে যতই দিন যাচ্ছে ততই দুশ্চিন্তা বাড়ছে। মুলত এই শাখায় দেয়া হয় এসএমই ঋণ। দ্রুত সময়ের মধ্যে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড শুরু না হলে বাড়বে সংকট।

সোনালী ব্যাংকের উর্দু রোড শাখার ম্যানেজার গোলাম মুর্শিদ বলেছেন, তাদের ব্যবসা বন্ধ থাকা মানেই আয় বন্ধ। আর আয় বন্ধ থাকা মানেই ব্যাংকের যে পাওনা তার বিলম্ব হওয়া। কিংবা না দেবার একটি প্রবণতা। সব কিছু মিলিয়ে তার প্রভাব পড়বে ব্যাংকিং খাতে।

তিনি আরো বলেন, এসএমই ঋণগুলো আমরাই বেশি দিয়ে থাকি। ব্যবসায়ীরা এই ঋণ প্রতি মাসে কিস্তিতে পরিশোধ করেন। কিন্তু কোনো ব্যবসাই যদি না থাকে তাহলে তো ঋণ উত্তোলন করা কঠিন হয়ে যাবে।

চকবাজারের ব্রাক ব্যাংকে শাখা থেকে দেয়া হয়েছে ২’শ কোটি টাকার বেশি ঋণ। শুধু মাত্র চুড়িহাট্টাতেই অন্যসব ব্যাংকের দেয়া ঋণের পরিমাণ ৩’শ কোটি টাকার বেশি।  অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেছেন, এখন যদি হঠাৎ করে সরিয়ে দেই তাহলে সব ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। এমনিতেই এমপিএল বাড়ছে কিন্তু যদি এ্যাকশন নেই তাহলে আমাদের বইতে যোগ হবে। শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ধাপে ধাপে পদক্ষেপ নিতে কাজ করা হচ্ছে।
২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চকবাজারের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন ব্যাংক ঋণ দিয়েছে ১ হাজার কোটি টাকা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত