প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সেখানেও রোমান্স

বাসব রায় : ইদানীং চারদিকে মৃত্যুর খবর পাই। এখানে-ওখানে সবখানেই শুধু মৃত্যুর হাতছানি? নানা রকম দুর্ঘটনা, হঠাৎ হঠাৎ অসুস্থতা আবার খুন-খারাবিজনিত বিবিধ কারণে মৃত্যু খুব সহজলভ্য? মৃত্যুর কারণ এবং ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞানগর্ভ ভাবনা আমার নেই, কেননা এমন জটিল বিশ্লেষণ সম্পর্কে বরাবরই আমার আগ্রহ থাকলেও অনভিজ্ঞতা হেতু তা আমার নিজের মধ্যেই কেবল উলোটপালোট করে? মৃত্যু সম্পর্কে বিশারদ কেউ থাকলে তিনিই হয়তো এমন ব্যাপারে মুখ খুলতে পারেন?আশপাশেরই হোক আর দূরেরই হোক নিয়মিত অনিয়ম করেই কেউ না কেউ মৃত্যুর মিছিলে ক্রমাগত শামিল হয়ে যাচ্ছেন? কওয়া নেই বলা নেই একেবারে মৃত্যু? যেকোনো মৃত্যুই কাঁদায় এবং কষ্ট দেয়? আমরা অবচেতন বা চেতন থাকি বা না থাকি মনে মনে বিদেহী আত্মার জন্যে শান্তি প্রার্থনা করি? এমন একটি সৌজন্যবোধ আমাদের মধ্যে আজও কিছুটা রয়েই গেছে?আমার নিজেরও প্রায়ই মনে হয়, এই বোধহয় মরছি বা মরবো? কারণ বর্তমান সময়ে বেঁচে থাকাটা একটা চ্যালেঞ্জ বৈকি? দেহের বহির্দেশ নানাভাবে নিগৃহীত হওয়ার কারণে রিজেক্টের আকার ধারণ করেই আছে আবার অভ্যন্তরের যন্ত্রপাতি যে চরম বিকলাঙ্গ তা আর বলার অপেক্ষায় নেই? সুতরাং যেকোনো সময় যেকোনোভাবেই বাস্তবতাকে মেনে নেয়ার প্রহর গুনছি? এসব সত্যনিষ্ঠ ভাবনায় ঈশ্বর দর্শনের কাছাকাছি অবস্থানে থেকেও কোথায় যেন একটা যন্ত্রণা হয়, একটা চাপা কান্না আসে? যে ঈশ্বর লাভের আশায় এতো সাধন ভজন সেই পরম পুরুষের নিকটতম হওয়ার উপায়টা মেনে নিতে পারি না? কী আশ্চর্য!তথাপি, মৃত্যু তো খাতির করবে বলে মনে হয় না? এজন্য নিয়মিত সময়ের ফাঁকে ফাঁকে পরিচিতজনের সাথে দেখা হলে একটু হাসিখুশি ভাব নিয়ে কুশলাদি বিনিময়ের অভ্যাসটা ইচ্ছাকৃতভাবে বাড়িয়ে দিয়েছি? কারণ মরণটা দ্রুত হলে পরিচিতজনদের কাছে ওইসব সজ্জন ব্যক্তিবর্গের নানাবিধ আফসোস এবং শুভ প্রার্থনাগুলো বেশ উপাদেয় হবে সন্দেহ নেই? আমার সম্পর্কে বিবিধ স্মৃতিচারণ, গভীর দীর্ঘশ্বাসের পতন ইত্যাদি ক্রিয়াকলাপের মধ্যে একটা ক্লাসিক্যাল মাদকতা আছে আর এটা ভাবতেও কেমন একটা রোমান্স এসে ভিড় করে। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত