প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তারুণ্যের শক্তি ছাড়া বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করা কঠিন: রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক রিপোর্ট : তরুণদের মিথ্যার সঙ্গে আপস না করার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘সবসময় বিবেক জাগ্রত রাখবে। আদর্শমণ্ডিত জীবন হোক তোমাদের। সেই আদর্শ যেন থাকে ন্যায় ও সত্যের পক্ষে। জীবনে চলার পথে কখনও মিথ্যার সঙ্গে আপস করবে না। সবসময় বিবেক জাগ্রত রাখবে। মনে রাখবে, ব্যক্তির দুষ্কর্মের ফল ব্যক্তি একা ভোগ করে না, বরং পুরো জাতি ভোগ করে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম তার দায় বহন করে। তাই দেশ ও জাতির স্বার্থকে সবার আগে বিবেচনা করবে।’সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এর পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান তিনি।

ডিগ্রিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীর সম্পর্ক সরাসরি। কিন্তু তার পেছনে থাকে পুরো পরিবার, তাদের প্রত্যাশা, তাদের স্বপ্ন। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল পাঠদান কেন্দ্র নয়। বরং তা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার শ্রেষ্ঠ পাদপীঠ। শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণভাবে গড়ে তুলতে এবং তাদের বিশ্বনাগরিকে পরিণত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ সুষম উন্নয়নের জন্য সৃজনশীল ও মেধাসম্পন্ন জনবল অপরিহার্য। আলোকিত মানুষেরাই পারে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে। তারুণ্যের শক্তি ছাড়া বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করা কঠিন। আমি আস্থা রাখতে চাই, তোমরাই আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করবে এবং দেশকে সমৃদ্ধির চূড়ায় নিয়ে যাবে। তোমাদের কাছে জাতি তা-ই প্রত্যাশা করে। আমরা যারা বয়সে বড় এবং অভিজ্ঞ, তারা তোমাদের পথ দেখাতে পারি। কিন্তু সে পথে চলতে হবে তোমাদেরই। পুরনোদের দেখানো পথে চলবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব তোমাদের। আবার আমাদের দেখানো পথই সঠিক এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। তোমাদের সামনে নতুন পৃথিবী, নতুন নিয়ম। কাজেই নতুন পথের খোঁজ তোমাদেরই করে নিতে হবে।’

পঞ্চম সমাবর্তনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ১ হাজার ৩০২ জন শিক্ষার্থী সনদ পেয়েছেন। এতে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, বিশেষ অতিথি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান। আরও বক্তব্য রাখেন ইউল্যাব বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. কাজী আনিস আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন ইউল্যাব বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, কাজী ইনাম আহমেদ, তাহেরা হক, জুদিথা ওলমাখার, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের বিশেষ উপদেষ্টা প্রফেসর ইমরান রহমান প্রমুখ।সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত