প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চাপে থেরেসা, ২০২১ সাল পর্যন্ত মুলতবি হতে পারে ব্রেক্সিট

লিহান লিমা: ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া ব্রেক্সিট নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভোটের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। এই পরিস্থিতিতে ব্রেক্সিট নিয়ে অচলাবস্থা কাটাতে পাল্টা প্রস্তাব প্রস্তুত করছে ইউরোপিয় ইউনিয়ন। খবর ডয়েচে ভেলে ও গার্ডিয়ানের।

সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ইইউ’র প্রেসিডেন্ট জ্য ক্লঁদ জাঙ্কার বলেছেন, ‘ব্রেক্সিট প্রস্তাব পাশ না হলে হাতে থাকবে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট কিংবা সময় বৃদ্ধি। ইইউ’র আর্টিকেল ৫০ অনুযায়ী ব্রেক্সিটের সময় বৃদ্ধি করলে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট এড়ানো যাবে।’

এই সপ্তাহেই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট প্রস্তাব ওঠার কথা থাকলেও ইইউ-আরব সম্মেলনে থেরেসা এটি ১২ মার্চ পর্যন্ত বিলম্বের কথা জানিয়েছেন। এক্ষেত্রে ব্রেক্সিট প্রস্তাব অনুমোদন করতে ব্রিটেনের হাতে সময় থাকবে মাত্র ১৭দিন। তবে থেরেসা মনে করছেন, ২৯ মার্চের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চুক্তিসহ ব্রেক্সিট কার্যকর করা সম্ভব। তবে থেরেসার এই পরিকল্পনা ব্রিটিশ এমপিদের পছন্দ হচ্ছে না। কিছু টোরি এমপি প্রধানমন্ত্রীকে সমঝোতা চূড়ান্ত করতে ২৩ মে পর্যন্ত বিলম্ব করার পরামর্শ দিয়েছেন।

এক্ষেত্রে ব্রিটিশ সংসদ যদি প্রধানমন্ত্রীকে ব্রেক্সিটের সময়সীমা বাড়াতে বাধ্য করে তবে পাল্টা প্রস্তাব তৈরি করছে ইইউ। এই প্রস্তাবে, ব্রেক্সিট কার্যকরে মাত্র তিন মাস অথবা স্বল্প সময়ের জন্য বিলম্ব না করে প্রায় দুই বছরের জন্য ব্রেক্সিট মুলতুবি রাখার প্রস্তাব দেয়া হবে। ব্যাকস্টপ সম্পর্কে জটিলতা কাটাতে এই সময়কালে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়েও এক সার্বিক চুক্তি প্রস্তুত করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আয়ারল্যান্ড সীমান্ত ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বর্তমান অনিশ্চয়তাও দূর হবে।

তবে এমন প্রস্তাব কট্টর ব্রেক্সিটপন্থিদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। বিলম্বের ক্ষেত্রে ইইউ’র ২ বছরের সময়সীমা মেনে নেয়াকে চাপ সৃষ্টি বলে মনে করছেন তারা। সে ক্ষেত্রে বিলম্ব এড়াতে বর্তমান ব্রেক্সিট চুক্তির পক্ষে ভোট দিতে পারেন কট্টরপন্থীরা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত