প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডাকসুতে ছাত্রলীগের বিদ্রোহী প্যানেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ

সমীরণ রায় : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয় ছাত্রলীগের প্যানেল নির্ধারণে। ওই বিশেষ টিমের নির্দেশনায় সংগঠনির কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে ভিপি এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে জিএস পদে রেখে গত রোববার ডাকসু নির্বাচনের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করে ছাত্রলীগ। কিন্তু ছাত্রলীগের প্যানেল ঘোষণার পরদিন সোমবার সংগঠনটির একাংশের নেতারা বিদ্রোহী প্যানেল ঘোষণা করেন। তবে ছাত্রলীগের বিদ্রোহী প্যানেলের বিরুদ্ধে খোজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অসাম্প্রদায়িক সাধারণ শিক্ষার্থীদের পরিষদ’ নতুন নামে এ প্যানেল ঘোষণা করা হয়। এতে ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সোহান খান (ভিপি) ও সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে জিএস হিসেবে এ প্যানেল ঘোষণা করা হয়। প্যানেলে এজিএস পদে মো. রনি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মো আল মামুন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জিএম সাব্বির, আন্তর্জাতিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন, সাহিত্য সম্পাদক মো. মাসুদ রানা এবং ক্রীড়া সম্পাদক গাজী নাভিদ হোসেন রয়েছেন।

এ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্যানেল নির্ধারণের বিশেষ টিমের অন্যতম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আমরা শুনেছি। কারা কিভাবে প্যানেল দিলো, খোজ খবর নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এগুলো খুব শিগগিরই সমাধান হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য, ডাকসুর সাবেক ভিপি, ও ছাত্রলীগের প্যানেল নির্ধারণের বিশেষ টিমের অন্যতম আক্তারুজ্জামান বলেন, আমরা খোজ খবর নিয়ে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের বিদ্রোহী যে প্যানেল দেওয়া হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হতাশ হওয়ার কিছু নেই।

ছাত্রলীগের বিদ্রোহী প্যানেলের ভিপি পদ প্রার্থী সোহান খান বলেন, ছাত্রলীগের প্যানেলটির কিছু কিছু জায়গায় যারা যে পদের যোগ্য না তাদের দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পদে দেওয়া হয়নি। এরকম কিছু বিষয়ে বিতর্ক থাকার কারণে আমরা আংশিক প্যানেল দিয়েছি। এরপর আমরা টিএসসিভিত্তিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেবো। এটি ছাত্রলীগের সঙ্গে কোনো সাংঘর্ষিক প্যানেল নয়।

জিএস পদ প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, যারা কমিটি ঘোষণার নয় মাস পরেও কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারেনি, তারা ডাকসুতে নির্বাচিত হয় কি দিতে পারবে? ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক যদি ভিপি-জিএস হিসেবে নির্বাচিত হয়, তাহলে তারা কি পরিচয় দেবে? ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নাকি ডাকসুর ভিপি-জিএস?

তিনি বলেন, আমরা এতো ক্ষুদ্র জায়গা থেকে তো আর প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের নামের তালিকা দিতে পারিনা। আমাদের যেহেতু অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে প্রমাণ করব আমরা কতটা যোগ্য।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত