প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কাজী সালাউদ্দিনসহ বাফুফের ২৪ সদস্যের বিরুদ্ধে পাওনা আদায়ে সাদেকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের ২৪ সদস্যের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলা করেছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক ক্যাম্প কমান্ডার মো. আবদুস সাদেক। ১৭ লাখ ৯১ হাজার ২০ টাকা পাওনা আদায়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনসহ সংস্থাটির নির্বাহী কমিটির ২৪ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি।

এর আগে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি পাওনা টাকার দাবিতে বাফুফে বরাবর উকিল নোটিশ পাঠান তিনি। তবে ফেডারেশন থেকে কোনো সদুত্তর না আসায়, এবার কাজী সালাউদ্দিনসহ বাফুফের নির্বাহী কমিটির ২৪ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন আব্দুস সাদেক। একই সঙ্গে ফিফার কোড অব কন্ডাক্ট উল্লেখ করে কাজী সালাউদ্দিনকে সরিয়ে দিতে বাফুফেকে আরও দুটি উকিল নোটিশ পাঠান তিনি। বিষয়গুলো আইনিভাবেই সমাধানের কথা বলছে ফেডারেশন।

২০০৬ সাল থেকে জাতীয় দলের ফুটবলারদের দেখভাল করতেন ক্যাম্প কমান্ডার আব্দুস সাদেক। কিন্তু ফেডারেশনের লেনদেনের অসচ্ছতায় ২০১৮ সালে এ পদের দায়িত্ব ছাড়েন তিনি। আব্দুস সাদেকের ভাষ্যমতে এ সময় বাফুফের কাছে তার পাওনা গিয়ে ঠেকে ১৭ লাখ ৯১ হাজার ২০ টাকা।

ফেডারেশেন কাছে বারবার ধরনা দিয়েও টাকা পরিশোধের কোনো আশ্বাস পাননি। তাই ৩ ফেব্রুয়ারি টাকা পরিশোধে ১ সপ্তাহ সময় বেধে দিয়ে বাফুফেকে আইনি নোটিশ পাঠান তার আইনজীবী।

সেই আইনি নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কাজী সালাউদ্দিন-সহ বাফুফের ২৪ কর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করেন আব্দুস সাদেক।

এদিকে, এ বিষয়ে আবদুস সাদেকের কাছে প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি চেয়ে পাল্টা এক উকিল নোটিশ প্রেরণ করেছে বাফুফে। একই সঙ্গে মামলার কপি হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি আইনিভাবেই তারা মোকাবেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি অবশ্য ২০০৫ সালের। তখন কাজী মো. সালাউদ্দিন বাফুফে সভাপতি ছিলেন না। এ বিষয়ে আবদুস সাদেক বলেন, কাজী সালাউদ্দিন তখন ছিলেন টিম ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান। তিনিই তখন আমাকে বলেছিলেন, খেলোয়াড়দের খাবারে যেন কোনো সমস্যা না হয়। আমি তার কথার ভিত্তিতেই খরচ করে গেছি। এব্যাপারে বাফুফের সাধারন সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেন, মামলা হয়েছে কিনা জানি না। হাতে কোনো কাগজ পত্র পাইনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত