প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে প্যানেল নির্ধারণে কোন সংগঠনের কী অবস্থা

নিউজ ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোট নেওয়া হবে আগামী ১১ মার্চ। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে ছাত্রসংগঠনগুলো মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করেছে। কয়েকটি সংগঠনের প্যানেল নির্ধারণের প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের প্যানেল নির্ধারণ করছে দলীয় হাইকমান্ড। আর প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও কোটা আন্দোলনের প্ল্যাটফর্মের প্যানেল চূড়ান্ত হচ্ছে মূলত ‘আলোচনার’ ভিত্তিতে।

ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগকে পরামর্শ ও সহায়তা দিতে গত ৩ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় পাঁচ নেতাকে দায়িত্ব দেয় আওয়ামী লীগ। জানা গেছে, ডাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এরই মধ্যে ছাত্রলীগের প্যানেল নির্বাচনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। সোমবারের (২৫ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি রেজানুল হক চৌধুরী শোভন। তিনি বলেন, ‘হল সংসদ এবং কেন্দ্রীয় সংসদের প্রার্থীর একটি খসড়া তালিকা আমরা করেছি। এটা মোটামুটি চূড়ান্ত পর্যায়ে। ২৫ তারিখের মধ্যেই আমাদের প্যানেলের কাজ শেষ হবে।’

ছাত্রদল এখনও তাদের দাবির বিষয়ে অনড় রয়েছে। ডাকসু নির্বাচনের পুনঃতফসিল ঘোষণা, বয়সসীমা ৩০ নির্ধারণের বিষয়টি বাতিল এবং ভোটকেন্দ্র হলের বাইরে রাখাসহ কয়েকটি দাবি নিয়ে রবিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে যাবে তারা। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান বলেন, ‘আমরা এখনও নির্বাচনের তারিখ পেছানোর দাবি জানাচ্ছি। কিন্তু এরপরও যদি দাবি মানা না হয় তাহলে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্যানেল ঘোষণা করতে পারি।’

ছাত্রদলের দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হয়েছে শনিবার। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় সিনিয়র নেতারা এর উদ্বোধন করেন। ছাত্রদলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যারা মনোনয়নপত্র নেবেন তাদের মধ্য থেকেই ডাকসু ও হল সংসদের জন্য ছাত্রদলের প্যানেল চূড়ান্ত করা হবে।

আওয়ামী লীগের মতো ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল পরামর্শ দিতে দলীয় কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছে বিএনপি। তাদের একজন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, ‘ছাত্রদলসহ অন্য কয়েকটি সংগঠনের দাবি ছিল ক্যাম্পাসে সহাবস্থান এবং ভোটকেন্দ্র হলের বাইরে রাখার বিষয়ে। কিন্তু প্রশাসন সেসব দাবি এখন পর্যন্ত মেনে নেয়নি।’

দাবি মানা না হলে নির্বাচনে অংশ নেবেন কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘২৫ তারিখ মনোনয়ন গ্রহণের শেষ তারিখ। আমরা ২৫ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করবো। তারপর সিদ্ধান্ত নেবো।’

প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্যানেল নির্বাচন হচ্ছে আলোচনার ভিত্তিতে। প্রথমে জোটের সঙ্গে একক প্যানেলে নির্বাচন করার জন্য আলোচনা হয়েছিল। পরে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি তারা। তাই কোটা আন্দোলনকারীরা আলাদা প্যানেল দেবে। শনিবারই তাদের প্যানেল ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন এই প্ল্যাটফর্মের যুগ্ম-আহ্বায়ক ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, ‘প্যানেল ঘোষণার বিষয়ে আমাদের মধ্যে বৈঠক হচ্ছে। আজকের মধ্যেই আমরা প্যানেল ঘোষণা করবো।’

প্রগতিশীল ছাত্রজোট রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্যানেল ঘোষণা করবে বলে জানিয়েছেন ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি প্রায় শেষ।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত