প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রধানমন্ত্রীকে কাঁদিয়েছেন নওফেল , এবার প্রধানমন্ত্রী কাঁদালেন নওফেলকে

শহিদুল ইসলাম: ভাষা আন্দোলনের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রেপ্তার নিয়ে নওফেলের বক্তব্য শুনে শনিবার কেঁদেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ কাজের উদ্ধোধন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য শুনে কাঁদলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল।

শনিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ১৯৫০ সালে পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার এক গোপন প্রতিবেদন নিজ বক্তব্যে পড়ে শুনাচ্ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। প্রতিবেদনে পাকিস্তানের তৎকালিন গোয়েন্দা সংস্থা উল্লেখ করেছিলো ‘ভাষা সৈনিক শেখ মুজিব শর্ত সাপেক্ষ জেল থেকে মুক্ত হওয়ার চেয়ে নিজের মৃত্যুবরণকে বেশী পছন্দ করেন। শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল যখন বক্তব্যটি রাখছিলেন তখন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। এসময় প্রধানমন্ত্রী চশমা খুলে কয়েকবার নিজের চোখও মুছেন। ব্যারিস্টার নওফেল তার বক্তব্য শেষ করার পরে প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার নওফেলকে ডেকে পাশের চেয়ারে বসিয়ে কিছুক্ষন কথা বলতেও দেখা যায়।

এদিকে, রোববার চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেল ও বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মান কাজ উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্যের শুরুর দিকে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী, তিনি চট্টগ্রামের মেয়র ছিলেন। নদীর ওপর ব্রিজ করলে নদীর ক্ষতি হবে। তাই গণমানুষের এই নেতা কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের দাবিতে আন্দোলনও করেছিলেন। আজ কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে। তিনি থাকলে অত্যন্ত আনন্দিত হতেন। বাংলাদেশের অনেক আন্দোলন সংগ্রামে তার অবদান রয়েছে। আজ আমি তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। তখন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যরিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে চোখ মুছতে দেখা যায়। এসময় টিভির ক্যামরায় ধরা পড়ে এ দৃশ্য।

উল্লেখ্য, শনিবার শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল তার বক্তব্যে বলেন, ভাষা আন্দোলনের প্রথম ভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেপ্তার হয়। ‘সিক্রেট ডক্যুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দি নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ বইটির ৪৫১ পৃষ্টায় বর্ণিত আছে উল্লেখ করে তিনি এসময় বলেন, জেলে থাকাকালীন সময়ে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার শর্ত স্বাপেক্ষে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে আলোচনা করার জন্য প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কারাগারে পাঠান। আলোচনা শেষে ইন্টেলিজেন্ট অফিসার জনৈক মুন্সি হোসেন উদ্দিন নিজ হাতে ১৬ জুন ১৯৫০ সালে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এসময় সেই প্রতিবেদনটি ব্যারিষ্টার নওফেল ইংরেজীতে পড়ে শুনান।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত