প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পুরান ঢাকার কেমিক্যাল কারখানা স্থানান্তরের মাধ্যমে দুর্ঘটনা মুক্ত হতে পারে বললেন, আশিস সৈকত

মঞ্জুর মোর্শেদ : আশিস সৈকত বলেন, পুরান ঢাকার কেমিক্যাল কারখানা স্থানান্তরের মাধ্যমে দুর্ঘটনা মুক্ত হতে পারে। নিমতলীর ঘটনার ৯ বছর পর একই ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে চকবাজার। সিলেন্ডারের আগুন কেমিক্যালের মধ্যে ছড়িয়ে যাওয়ায় ভয়াবহতা বেড়েছে। পুরান ঢাকার একটা চল হয়ে দাড়িয়েছে যে তারা নিচ তলায় গুদাম ভাড়া দেওয়া হয় । ডিবিসি রাজকাহন

তিনি বলেন, এটার বড় কারণ গোডাউন ভাড়াটা একটু বেশি পাওয়া যায়। বাসার ছাদের উপর টিনসেড করে সেখানে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। সেখানে তৈরি হচ্ছে আতসবাজি। এটা যে একটা বড় দুর্র্ঘটনা হতে পারে তাদের মাথায় আসছে না। যদিও কোনো দুর্র্ঘটনা ঘটে কয়েকদিন পর তারা আবার ভুলে যায়।

তিনি আরো বলেন, নিমতলীর ঘটনার পর সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল কেরানিগঞ্জে স্থানান্তরের। সরকার ঘোষণা করছে ঠিকই তবে কোনো ধরণের সেখানে যাওয়ার পরিবেশ করে দিতে পারে নি । ঋণ সুবিধা দিতে হবে যাতে তারা অবকাঠামো তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেন , এখানে এলপি সিলিন্ডার সিএনজি সিলিন্ডার দুটো মিলে বিষ্পোরণ হওয়ার কারণে ভয়াবহতা বেশি সৃষ্টি হয়েছে। শুধু রাসায়নিক হলে এত বড় দুর্ঘটনা হতো না।

তিনি মনে করেন, এলপি সিএনজি এ ধরনের বোতলগুলো প্রতি বছর বছর চেক করা কোম্পানী গুলো চেক করে উচিত। তাহলে দুর্ঘটনার হার কিছুটা হলেও কমবে। ফিটনেস আছে কিনা সেগুলো পরীক্ষা করতে হবে এবং নবায়ন করতে হবে।

তিনি জানান, মেয়র হানিফ পুরান ঢাকা সাজানোর একটা বাস্তব পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন কিন্তু কাজ করার সময় পাননি। তার ছেলে সাঈদ খোকন এখন মেয়র, তিনি থাকেন বনানী এলাকায় না থাকায় এ ব্যাপারে তেমন কোনো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। যারা এ দায়িত্ব আছেন তারা ধারণ করেন কিন্তু বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নাই। যদি বাস্তবায়ন করতেন তাহলে নিমতলীর ঘটনার পর আর কোনো ঘটনাতো বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, আমরা যদি জল সবুজের ঢাকা চাই তাহলে এটাকে নতুন করে সাজাতে হবে। দালানগুলো ঢেলে সাজানো,কারখানা গুলো কোথায় কোথায় স্থাপন করলে ভাল হবে সেখঝানে স্থানান্তর করে পুরান ঢাকাকে নতুন করে সাজালেই পুরান ঢাকার জনগণ মুক্তি পাবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত