প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দু’বছরের মধ্যে সব ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা হতে হবে

আবু বকর : সব ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা হতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এ জন্য ব্যাংক গুলো দুই বছর সময় পাবে। যে সব ব্যাংকের মূলধন এখনও ৫০০ কোটি টাকার কম রয়েছে তাদেরকে এ শর্ত পূরণ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, সর্বশেষ বোর্ড সভায় ৪০০ কোটি টাকার পরিবর্তে ৫০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন সংগ্রহের শর্তে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, সিটিজেন ব্যাংক এবং পিপলস ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

ঐ সভায় আগে অনুমোদন দেয়া ব্যাংকগুলোকে দুই বছরের মধ্যে মূলন ৫০০ কোটি টাকা উন্নীত করার শর্ত দেয়া হয়েছে। যে সব ব্যাংকের মূলধন এখনও ৫০০ কোটি টাকার কম রয়েছে তাদেরকে এ শর্ত পূরণ করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ আমানতকারীদের অর্থ ঝুঁকিমুক্ত রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগের ব্যাংকগুলোর জন্য কিছুটা চাপ সৃষ্টি হলেও সার্বিকভাবে ব্যাংকিং খাতের জন্য এটা ভালো সিদ্ধান্ত হবে।

উল্লেখ্য বর্তমান সরকারের টানা তিন মেয়াদে ১৪টি ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিশেষ আইনে গঠিত প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে গত বছর তফসিলি ব্যাংক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক মিলিয়ে এতোদিন ব্যাংক ছিলো ৫৯টি। অনুমোদন পাওয়া নতুন তিনটি ব্যাক যোগ হলে এই সংখ্যা ৬২টি হবে।

বর্তমান সরকার ‘রাজনৈতিক বিবেচনায়’ ২০১২ সালে ৯টি বেসরকারি ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিলো।২০১৩ সালে এ সব ব্যাংক কার্যক্রম শুরু করে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, এই ৯ ব্যাংকেই পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকার কম রয়েছে। তার আগে অনুমোদন পাওয়া ব্যাংকগুলোর মূলধন অবশ্য ইতোমধ্যে ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

ঋণ কেলেঙ্কারির কয়েকটি বড় ঘটনায় গত কয়েক বছর ধরেই দেশের ব্যাংক খাত আলোচনায় রয়েছে। ওই সময় অনুমোদন পাওয়া কয়েকটি ব্যাংকও অনিয়ম আর তারল্য সঙ্কটে ধুকছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত