প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কুলেই জীবন বদলের স্বপ্ন দেখছেন রাজশাহীর কৃষকেরা

মঞ্জুর মোর্শেদ : বাজারে এখন প্রায সব সময়ে বরই পাওয়া যায়। দেশি ফল হিসেবে বরইয়ের চাহিদা সব সময়ই তুঙ্গে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত আপেল কুল, বাউকুলসহ কয়েকটি জাতের কুল চাষ করছেন কৃষক। ২৪ চ্যানেল

মাত্র চার মাসে ফল আসে। বছরে তিনবার ফল দেয়। এতেই কৃষকের আয় কোটি টাকা। বিশেষ করে লাভ বেশি হওয়ায় চরের কৃষকরা এখন কুল চাষে ঝুঁকছেন। তাই বছর বছর বাগান বাড়ছেই। কুলে কপাল খুলছে চরের কৃষকদের। কুলেই জীবন বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা। রাজশাহীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল রয়েছে বাঘায়। প্রতিক‚ল আবহাওয়ার কারণে আগে সেখানে বছরের পর বছর ধরে হাজার হাজার বিঘা জমি অনাবাদি পড়ে থাকতো। মৌসুমি ফসল ছাড়া সে অর্থে সেখানে কোনো চাষাবাদই হতো না। সেই চরাঞ্চলেই এখন কুল চাষ করে বিপ্লব ঘটিয়েছেন কৃষক। রোদের তীব্রতা ও বালুর কারণে অন্যসব ফসব উৎপাদনে ব্যর্থ হলেও কুল চাষে সফল হয়েছেন চাষিরা। চরাঞ্চলে এখন পেঁয়াজ, রসুন, মসুর, গম, সরিষা, আখ ও শাকসবজির পাশাপাশি আপেল, বাউ ও থাই জাতের কুল চাষ করছেন কৃষকেরা।

পদ্মার এই চরে কুল চাষ করে বর্তমানে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন স্থানীয় শফিকুল ইসলাম, সোনা মিঞা ও জামাল উদ্দিনের মতো অনেকে। পদ্মার চরেও যে সোনার ফসল ফলানো যায়, তা প্রমাণ করছেন এই শিক্ষিত বেকার যুবকেরাই।

শফিকুল ইসলাম জানান, পদ্মার চরের ১০৪ বিঘা জমিতে কুল চাষ করেছেন। বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে প্রায় ৪০ হাজার টাকা। গড়ে বিঘা প্রতি প্রায় দেড়শ মণ করে ফলন হবে বলে আশা করছেন। জামাল উদ্দিন বলেন, বর্তমানে বাজারে পাইকারি দুই হাজার টাকা মণ দরে বাউকুল বিক্রি হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, সাধারণত চরাঞ্চল এ ধরনের কুল জন্য উপযোগী। তাই পদ্মার চরেই কুল চাষ বেশি চাষ হচ্ছে। প্রতি বছরই বাগানের সংখ্যা বাড়ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত