প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাকিস্তানে আসছেন এরদোগান

যুগান্তর : তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান আগামী মাসে পাকিস্তান সফরে আসছেন। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেহেরইয়ার খান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সামরিক শক্তির দিক দিয়ে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ তুরস্কের প্রেসিডেন্টের এ সফরটিকে ঐতিহাসিক সফর উল্লেখ করে পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সফর মানে প্রতিটি পাকিস্তানিদের জন্য, প্রতিটি পাকিস্তানি উৎসাহের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সফরের জন্য অপেক্ষা করছে।

এরদোগানের এ সফরে পাকিস্তানে বিপুল পরিমাণ তুর্কি বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশাবাদী ইমরান খানের সরকার।

এর আগে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত রোববার দুদিনের সফরে পাকিস্তানে এসেছিলেন। মূলত এ সফর দিয়ে তার দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফর শুরু হয়েছে। এর পর তিনি ভারত সফর শেষে শুক্রবার চীন সফর করেন।

পাকিস্তান সফরের সময় সৌদি আরবের কারাগারে বন্দি দুই হাজার পাকিস্তানিকে মুক্তি দিতে নির্দেশ দিয়েছেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

এদিন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পাকিস্তান সফরে তাকে বহনকারী গাড়িটি নিজে চালিয়ে নিয়ে যান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

যুবরাজের থাকার ব্যবস্থা করা হয় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে। কাশ্মীরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ৪৬ সদস্যের মৃত্যুতে দুই দেশের উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থার মধ্যে যুবরাজের এ সফর ঘিরে নেয়া হয় কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা।

যুবরাজের সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন মন্ত্রী। পাকিস্তানে পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তারা দুই হাজার কোটি ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি সম্পন্ন করেছেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগেই জানিয়েছিল- দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ, অর্থায়ন, জ্বালানি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, সংবাদমাধ্যম, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াবিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

সেখানে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতার প্রসঙ্গে মোহাম্মদ বিন সালমান মন্তব্য করেন, ‘এই সহযোগিতা প্রতি মাসে, প্রতি বছর বাড়তে থাকবে।

আমরা মনে করি, সামনের দিনগুলোতে পাকিস্তান একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে উঠে আসবে। তাদের সেই উন্নতিতে অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে চাই আমরা। সেখানে যুবরাজ নিজের দেশের বিষয়ে তার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।

তেল নির্ভরতা কমিয়ে সৌদি আরবের অর্থনীতিকে বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে তিনি পর্যটনশিল্প বিকাশের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

যুবরাজের ভাষ্য, সৌদি আরবের লক্ষ্য- ১০ কোটি পর্যটক। ২০৩০ সালের মধ্যে না হলেও ক্রমেই সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর বিষয়ে তিনি আশাবাদী।

উৎসঃ যুগান্তর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত