প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ওদের প্রতি অগাধ ঘৃণা ও ধিক্কার জানাচ্ছি বারংবার…

হেনরি স্বপন : যেহেতু কবি জীবনানন্দ দাশের জনপ্রিয়তা ক্রমশই বাড়ছে, তাই…সম্প্রতি একদল কালোবাজারী প্রকাশক যেমন কবির বইগুলো যেনতেনভাবে প্রকাশ করে, কবিতার পঙক্তিগুলো ভুলভালভাবে ছেপে বাজারে বিক্রি করছেন। তেমনি আবার ঝালকাঠির ধানসিঁড়ি নদীর অদূরে বামনকাঠি গ্রামে, কবির একদল ভুঁইফোড় আভিভাবকেরও সন্ধান মিলেছে। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, কবির জন্ম বরিশাল শহরে নয়। তার জন্ম নাকি ঝালকাঠির বামনকাঠি গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়িতে।
হায়রে! অকাট জ্ঞানগম্যি মোড়লের দল, এমন ডাহা মিথ্য এবং হাস্যকর…এই বক্তব্য তুলছেন, তাও কবির জন্মের ১১৯ বছর পরে এসে?
কবির ভাই, অশোকানন্দ দাশ কিংবা কবি জীবনানন্দ স্বয়ং তার জন্মস্থান হিসেবে বরিশাল শহর উল্লেখ করেছেন। কাজেই এ বিষয় কোনো বিতর্কের প্রশ্ন নেই। জীবনানন্দ দাশের পরিবার বরিশাল শহরে তিন জায়গায় থেকেছেন। বরিশাল শহরে এসে প্রথমে তারা ওঠেন, অশ্বিনী কুমার দত্তের বাড়ির উল্টোদিকের ব্যারিস্টার এন.গুপ্তের বাড়িতে। এখানেই জীবনানন্দ দাশের জন্ম হয়। আর সেই বাড়িটি ছিলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জামাতা নগেন গাঙ্গুলিদেরও। তারপর কবির জন্মের পর শিশু জীবনানন্দকে নিয়ে তার পরিবার কিছুদিন আলেকান্দা পাড়ায় কবির মামার বাড়িতে ছিলেন। এও জানা যায়, সেখানে থাকাকালীন জীবনানন্দ দাশের ঠাকুমার নামে বগুড়ায় জমি কেনা হয় ১৯০৫-০৬ সালে। পরে এখানে বাড়ি করে তবেই এই বাড়িতে থাকতে আরম্ভ করেন, কবির পরিবার।
তদুপরি, ১১৯ বছরেও… কোনো গবেষক, কোথাও কবির জন্মস্থান ঝালকাঠির বামনকাঠি গ্রামে, এমনটি উল্লেখ করেননি। তবে এখন যারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে কবিকে বেচতে মাঠে নেমেছেন, সেসব ফড়েদের প্রতি নিন্দাবাক্য জানানোও অনেক বেশি মনে হচ্ছে। তবুও ওদের প্রতি অগাধ ঘৃণা ও ধিক্কার জানাচ্ছি বারংবার।
পুনশ্চ : সম্প্রতি একদল জীবনানন্দ প্রেমিকও দেখছি, তাদের টইটুম্বুর ভালোবাসা প্রকাশের ক্ষেত্রে, কবির মুখম-লের বিকৃত একটি রঙিন পোট্রেট ব্যবহার করছেন, কবির এহেন বিকৃত মুখয়ববের প্রকাশ! এটিও বেশ নিন্দনীয় কাজ হচ্ছে বলে, মনে করছি। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত