প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বেঁচে থাকার ন্যূনতম অধিকার নিশ্চিত করতেই জবাবদিহিতার প্রশ্ন আসে, বললেন মেঘনা গুহঠাকুরতা

মারুফুল আলম : জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য মেঘনা গুহঠাকুরতা বলেছেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা চকবাজারের আগেও ঘটেছে। নির্দেশ ছিলো, রাসায়নিক গুদামগুলোকে স্থানান্তরিত করার। কিন্তু করা হয়নি। কেনো করা হয়নি, সংশ্লিষ্ট সবাইকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা প্রয়োজন। জবাবদিহিতার প্রশ্ন এজন্যই, যাতে মানুষের ন্যূনতম বাঁচার অধিকারটুকু নিশ্চিত হয়। শুক্রবার বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, মানুষ ঢাকামুখী হওয়ার কারণে ঢাকার ওপর জনসংখ্যার চাপ বাড়ছে। তবে, গুরুত্বপূর্ণ এ শহরের ওপর কেনো নজর দেয়া হয় না তাও দেখতে হবে।

এখানে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করে বলেই হয়তো নজরটা তেমনভাবে দেয়া হয় না। কিন্তু মানুষের ন্যূনতম অধিকার নিশ্চিত করতে অবশ্যই নজর বাড়ানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ঢাকার চকবাজারে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে ৭৮ জনের মৃত্যুর ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, আগুন লাগার ঘটনায় দায় কাদের, কমিটি সেটিই খতিয়ে দেখবে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের এখানে কী করার রয়েছে জানতে চাইলে কমিশন সদস্য মেঘনা বলেন, এ কমিটির মাধ্যমে মানুষের ন্যূনতম অধিকারগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমরা কথা বলবো। আমাদের একটি নজরদারির ভূমিকাও রয়েছে। তবে আমরা কাউকে জরিমানায় বাধ্য করতে পারি না। নজরদারির পরে সরকারকে আমাদের সুপারিশগুলো দিতে হয়। জনগণের ন্যূনতম অধিকারগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমরা আমাদের কণ্ঠকে ব্যবহার করছি।

মেঘনা গুহঠাকুরতা জানান, আমরা সাধারণত আইনের শাসনের কথা বলি, যেটা সরকারের দায়িত্ব। ব্য
বসায়ীদেরও একটি দায়িত্ব আছে, যাকে বলি রুল অব বিজনেস। দ্রুতহারে ব্যবসা বেড়ে চলেছে, যেখানে বিজনেস রুলগুলো নেই। এই রুলগুলো মানার ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করেন জাতিয় মানবাধিকার কমিশনের এই সদস্য।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত