প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সত্য কথা বলি বলেই আমার সমালোচনা হয়, বললেন শাজাহান খান

মারুফুল আলম : সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, সড়ক দুর্ঘটনার জন্য মালিক, চালক, পথচারী, রাস্তা তৈরিকারী, গাড়ির লাইসেন্সদাতা, ইঞ্জিনিয়ার, বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট সবাই দায়ী। বুধবার ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি’র আজকের বাংলাদেশ অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, এককভাবে যদি শুধু চালকের ওপর দায়টা চাপিয়ে দেয়া যায় না। এই সত্য কথাটা বলি বলে আমার সমালোচনা করেন অনেকে।সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকার গঠিত কমিটি নিয়ে সমালোচকদের ব্যাপারে তিনি বলেন, তারা আসলে জানে না, কমিটির কাজ কি।

শাজাহান খান বলেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগ হলে মানুষ আইন মানে। একসময় হেলমেট ছাড়াও মোটরসাইকেলে একসঙ্গে ৩ জন চড়তো। এখন হ্যালমেট সকলে পরে। এজন্য তো মারামারি করতে হয়নি। ফাইন করতে হয়নি বা বিলও দিতে হয়নি। সকল পেট্রোলপাম্প থেকে বলা হয়েছে, হ্যালমেট ছাড়া কেউ তেল নিতে আসলে তেল দেয়া হবে না। পেট্রোলপাম্পের পক্ষ থেকে এ কথা বলার পর সবাই বাধ্য হয়েছে হ্যালমেট পরতে। এ্যালিফেন্ট রোডে কিছু ক্যামেরা লাগানো আছে। রোডের সাইডে যারা পার্কিং করে, ওই ক্যামেরায় সেটা ক্যাচ হয়। এরপর সেই গাড়ির মালিকের বাসায় স্লিপ পাঠানো হয় যে, রং পার্কিং এর কারণে আপনার গাড়ির এত টাকা জরিমানা। এখন এ্যালিফ্যান্ট রোডে দেখবেন, গাড়ি পার্কিং খুবই কম।

একইভাবে উল্টোপথে সুযোগ পেলে একসময় সবাই গাড়ি ঘুরাতো। এখন কি কাউকে গাড়ি নিয়ে উল্টোপথে চলতে দেখেন? খুবই রেয়ার। সাধারণত দেখাই যায় না। ডিসিপ্লেন মেইনটেনের জন্য একটি যুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করে শাজাহান খান বলেন, এক্ষেত্রে সোলজার হচ্ছে ট্রাফিক। ট্রাফিক দরকার ১৪ থেকে ১৫ হাজার। কিন্তু ট্রাফিক আছে মাত্র ৫ হাজার। এই ওয়ান থার্ড ট্রাফিক নিয়ে কি নিয়ম শৃঙ্খলা পুরোপুরি রক্ষা সম্ভব? এই শর্টেজগুলোকে আমরা রিকমেন্ডেশনের মধ্যে আনবো। যতদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক ট্রাফিক না দিতে পারবো, ততদিন বেতন-ভাতা দিয়ে রাস্তার শৃঙ্খলার জন্য পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করবে বলে জানান শাজাহান খান।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত