প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আরেফিন সিদ্দিক বললেন, শুদ্ধ বাংলা চর্চার জন্য গণমাধ্যমগুলোকে স্টাইল বুক ব্যবহার করতে হবে

আমিরুল ইসলাম : সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের গণমাধ্যমগুলোতে প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যবহার অনেকটা কমে যাচ্ছে। ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেকটা বিকৃত ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে। গণমাধ্যমগুলোতে কীভাবে শুদ্ধ বাংলা ভাষা ব্যবহার করা যায়? এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, শুদ্ধ বাংলা ভাষার চর্চার জন্য প্রতিটি গণমাধ্যমে স্টাইল বুক ব্যবহার করতে হবে। কোন বানান ব্যবহার করবে, কোন ভাষারীতি ব্যবহার করবে। এই বিষয়গুলো নিয়ে পৃথিবীর সমস্ত উন্নত দেশর গণমাধ্যমগুলোর একটা নিজস্ব স্টাইল বুক থাকে। সে ধরনের স্টাইল বুকের প্রচলনটাও আমাদের দেশে এখন জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, গণমাধ্যমে প্রমিত বাংলা ভাষা ব্যবহার করা দরকার। তাহলে সবার জন্য বুঝতে সুবিধা হয়। সম্প্রচার মাধ্যম বিশেষ করে বেতারে ও টেলিভিশনে শুদ্ধ উচ্চারণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে ভাষার মধ্যে সংমিশ্রণ ঘটছে। বিদেশি ভাষা বিশেষ করে ইংরেজির সঙ্গে বাংলাকে মিশিয়ে যে ধরনের একটা ভাষার প্রয়োগ আমরা লক্ষ্য করি, এটা বাংলা ভাষার বিশুদ্ধতার জন্য ক্ষতিকারক হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমের বিষয়টি আলাদা কিন্তু মূল ¯্রােতের ও মূল প্রবাহের গণমাধ্যমগুলোতে বিশুদ্ধ বাংলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। সেজন্য প্রতিটি গণমাধ্যমে স্টাইল বুক অনুসরণ করা উচিত। তিনি আরো বলেন, বিশেষ করে মাতৃভাষা বলে বাংলার ক্ষেত্রে আমরা কোনো নিয়ম কানুন মানবো না, এটা হতে পারে না। ভাষার যে নিয়ম কানুন ও ব্যাকরণ আছে সেটা অনুসরণ করেই সংলাপ ব্যবহার করতে হবে। অনেক সময় দেখি ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করতে বা অন্য কোনো ভাষা ব্যবহার করতে আমরা যতোটা সচেতন থাকি নিজের ভাষা ব্যবহার করতে ততোটা সচেতন থাকি না। কারণ আমরা মনে করি এটাতো আমার নিজের ভাষা, আমিতো এটা জানি। এখানে আবার কী শিখতে হবে? নিজের ভাষাও কিন্তু শুদ্ধভাবে বলা, লেখা, পড়া ও শেখার প্রয়োজন আছে। আমাদের সম্প্রচার মাধ্যমগুলোতে উচ্চারণের জন্য রীতিমতো প্রশিক্ষণ দেয়ার প্রয়োজন আছে। আজকাল আমরা বিভিন্ন সময় বাংলা উচ্চারণ যেভাবে শুনি সেটা খুব হতাশ করে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত