প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

২ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি করার লক্ষ্যে কাজ করছে : ডিসিসিআই

রমজান আলী: বাংলাদেশের জিডিপি বর্তমানে ২৭৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬%, রপ্তানী আয় ৪১.০১ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২.০২ বিলিয়ন ডলার এবং নিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতি সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার পরিচয় বহন করে। জিডিপির হার প্রবৃদ্ধি আরো বাড়ানোর জন্য ২ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
গতকাল ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলন ডিসিসিআই সভাপতি ওসামা তাসীর “ডিসিসিআই’র কার্যক্রম ও বার্ষিক কর্ম-পরিকল্পনা” সম্পর্কে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দের সাথে মতবিনিময়ের সময়ে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, বিনিয়োগ ও ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য ডিসিসিআই অগ্রাধিকারযোগ্য বিষয় নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করে। ডিসিসিআই মনে করে, বছরব্যাপী ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরনে অগ্রাধিকারযোগ্য বিষয়সমূহ নির্ণয়ে সরকারি-বেসরকারি সকল পক্ষের অংশীদারিত্ব জরুরী। তাই আমরা ডিসিসিআইয়ের বছরব্যাপী কর্মপরিকল্পনা গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে উপস্থাপন করছি।

আরো বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য ডিসিসিআই উন্নয়ন সহযোগী এবং আঞ্চলিক সংস্থাসমূহের সাথে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। নতুন বিনিয়োগ অনুসন্ধানের জন্য সরকার, বেসরকারি খাত, দাতাসংস্থা, বিদেশী পরামর্শক প্রতিষ্ঠানসমূহকে বিভিন্ন নীতিমালার উপরে ডিসিসিআই মতামত প্রদান করে আসছে। বর্তমানে পৃথিবীর শিল্পোন্নত দেশসমূহ বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশকে একটি আদর্শ স্থান হিসাবে বিবেচনা করছে। বিশেষত চীন, কোরিয়া ও জাপান তাদের শিল্প বাংলাদেশে স্থানান্তরের জন্য আগ্রহী।

এ লক্ষে ডিসিসিআই নিয়মিতভাবে বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশন এবং বিদেশী চেম্বারসমূহের সাথে আলোচনা অব্যাহত রাখছে।
আরো বলেন, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। এই গতিশীলতা অব্যাহত রাখতে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রাসমূহ অর্জনে, ডিসিসিআই মনে করে বেসরকারি খাতের উন্নয়নের জন্য অর্থনীতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন।

আরো বলেন, বেসরকারি খাতের নেতৃত্বাধীন অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি হিসাবে বিভিন্ন গবেষণা পরিচালনা এবং শিল্প ও গবেষণার সর্ম্পক বাড়াতে আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছি। যার উদ্দেশ্য হচ্ছে বেসরকারি খাতকে প্রভাবিত করে এমন সমসাময়িক অর্থনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা ও বিশ্লেষণ করা। এ লক্ষ্যে ডিসিসিআই সামষ্টিক অর্থনীতি জ্বালানি নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা সংশিষ্ট বিষয়, দক্ষতা উন্নয়ন, অবকাঠামো ও পরিবহন নেটওয়ার্ক এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ দেশের শীর্ষস্থানীয় ৭ জন সেক্টর বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরো বলেন, ৪র্থ শিল্প বিপ্লব সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি কিভাবে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক অবস্থাকে প্রভাবিত করবে সে বিষয়ে গবেষণার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারের সংশিষ্ট মন্ত্রণালয়কে আহ্বান করা হবে। ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের কারণে ব্যবসার প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান কতটুকু প্রভাবিত হবে, কী কী নতুন দক্ষতার প্রয়োজন হবে এবং সেজন্য কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে তা নিয়ে ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করা হবে।

উপস্থিত ছিলেন, ডিসিসিআই ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ জয়নাল আদ্বীন, ডিসিসিআই সহ-সভাপিত ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, ডিসিসিআই সহ-সভাপিত মোঃ ইমরান আহমেদ, ডিসিসিআই পরিচালক মোঃ আবুল কাসেম খান, ডিসিসিআই পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আকবার হাকিম, ডিসিসিআই পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আল আমিন, ডিসিসিআই পরিচালক মোঃ রাসেদুল করিম মুন্না প্রমুখ। সম্পাদনা: আবু বকর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত