প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জ্বালানী বিশেষজ্ঞ ম. তামিমের মতে, ‘নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারে ব্যর্থ হলে’ ভয়াবহ বিপদের সম্মুক্ষিণ হতে হবে

মঈন মোশাররফ : জ্বালানী বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ম. তামিম বলেছেন, সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান করতে হলে একটি সার্ভে বা জরিপ করা প্রয়োজন। জরিপের মাধ্যমে যদি কোন তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে বিদেশি কোম্পানিগুলোর আগ্রহ তৈরি হবে না। বর্তমানে গ্যাসের মজুত এবং উত্তোলন হিসেব করলে আগামী ১০ বছরের জন্য গ্যাস আছে বলে ধরে নেয়া যায়। এটা একটা ইন্ডিকেশন যে আমাদের আরো ব্যাপক হারে অনুসন্ধান করতে হবে। নাহলে সামনে বিপদ আছে।

সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে এখন সব মিলিয়ে ১০ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস নেই। যা মজুত আছে, সেটা আমি সবসময় একই পরিমাণে উত্তোলন করতে পারবো, সেটা হয় না। গ্যাস যত উত্তোলন করা হবে, গ্যাস ক্ষেত্রের চাপ ততোই কমতে থাকবে। ফলে এক পর্যায়ে গ্যাসের মজুত থাকলেও গ্যাস উত্তোলন ক্রমাগত কমতে থাকবে।

তিনি বলেন, গত ১০-১৫ বছরে উলে¬খযোগ্য কোন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয় নাই। গ্যাস সংকট থেকে মুক্তির উপায় দুটি। বিদেশ থেকে এলএনজি গ্যাস আমদানি করা এবং আরেকটি উপায় হচ্ছে গ্যাস খুঁজে বের করা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন প্রতিদিন যে পরিমাণ গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে সেটি চাহিদা মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত নয়। মহেশখালীর কাছে বাংলাদেশের প্রথম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল। বাংলাদেশে বড় আকারের গ্যাস ক্ষেত্র সর্বশেষ আবিষ্কৃত হয়েছিলো হবিগঞ্জ জেলার বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্র। ভারত এবং মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তি হলেও সমুদ্র গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের জন্য অনুসন্ধান চালানো হয়নি। যদিও সমুদ্র সীমা নিষ্পত্তির পরে মিয়ানমার বেশ দ্রæততার সাথেই গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত