প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শিক্ষক সংকটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাতৃভাষা পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে

নুর নাহার : পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় প্রাক প্রাথমিক পর্যায়ে বই বের হলেও শিক্ষাদানের জন্য এখনো পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাব রয়েছে। এতে শিশুদের জন্য মাতৃভাষায় পাঠদান করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিষ্ঠান প্রধানেরা জানান, বই দেয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত শিক্ষক ও তাদের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থাও করতে হবে। ডিবিসি নিউজ।
নিজেদের মাতৃভাষায় বই পেয়ে খুবই আনন্দিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুরা। কিন্তু যথাযথ পাঠদানের জন্য শিক্ষক নেই প্রতিষ্ঠান গুলোতে।
রাঙামাটির নলিনাক্ষ রায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রীনা খীসা বলেন, মাতৃভাষার শিক্ষক প্রয়োজন সে শিক্ষক আমাদের কাছে নাই।

ঝাগরাবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, তিন মাস যদি আমাদের শিক্ষকদের প্রশিক্ষন দেয়া যায় তাহলে শিক্ষকরা সাবলীলভাবে পড়াতে পারবেন। ২০১৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চাকমা,মারমা, ত্রিপুরা, গারো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি ভাষায় শিশুদের বিনামূল্যে বই দেয়া শুরু করেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপ্রস্তক বোর্ড।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি মাতৃভাষা প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসৌরভ সিকদার বলেন, অন্যান্য নৃগোষ্ঠিরও পাঠ্যবই প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং মাতৃভাষায় শিক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণে আমরা পিছিয়ে আছি। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নিতে পারবো।

প্রথম বছর শুধু প্রাক প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বই মুদ্রন করা হয়। দ্বিতীয় বছর ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে প্রাক প্রাথমিক ও প্রথম শ্রেণির এবং ১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত তাদের বই দেয়া হয়।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, বই দেয়া হলেও শিক্ষকের অভাবে সেটা কার্যকরভাবে শিখতে পারছে না এটা সত্যি। আমরা এটি নিয়ে অনেক কথা বলেছি। প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় এবং শিক্ষা অধিদপ্তর ও এই ব্যাপারে কার্যকর ভূমিকা নেয়ার চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির ৪০ টি ভাষা রয়েছে। এসব ভাষাকে বিলুপ্তি হতে রক্ষা ও সমৃদ্ধি করতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির শিক্ষার্থীদেরকে মাতৃভাষায় শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চয় শিক্ষত করে তুলতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত