প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গণশুনানির মাধ্যমে সরকারের মুখোশ উন্মোচন করা হবে, বললেন সুব্রত চৌধুরী

জিয়ারুল হক : ২২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট একাদশ জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম উদ্ঘাটনে গণশুনানি করবে বলে জানিয়েছেন গণফোরাম ও ঐক্যফ্রন্ট নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী। তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন ও আওয়ামীলীগ সরকারের যোগসাজশে নির্বাচনের নামে প্রহসন করা হয়েছে। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের মাধ্যমে ও সন্ত্রাসীরা এবং প্রশাসন মিলে জণগনের ভোটাধিকার ধ্বংস করা হয়েছে, গণশুনানির মাধ্যমে জনগণের সামনে তা তুলে ধরতে চাই। বিবিস বাংলা

আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি গণশুনানরি কথা থাকলেও দু’দিন এগিয়ে এটি করা হবে ২২ ফেব্রুয়ারি। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে এ শুনানি অনুষ্ঠান হবে বলে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে শুনানি না করার ব্যাপারে জানানো হয় ওই তারিখে ভেন্যু না পাওয়ায় তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।

গণশুনানির কারণ হিসেবে তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশন একটি দলের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করেছে। আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা মামলা করা হয়েছে। শতশত গায়েবি মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে। নির্বাচনের আগের রাত্রে ব্যালট বাক্স ভরা হয়েছে। ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেনি। তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের হতে দেয়নি। পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। তাদের গায়েব করে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরাও বের হতে পারেনি। হামলা মামলায় জর্জড়িত করা হয়েছে। আমার ওপর ছয় বার হামলা করা হয়েছে। সারাদেশে একই চিত্র। আমরা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। কোন রিটার্নিং কর্মকর্তাও আমাদের অভিযোগ আমলে নেয়নি। এ সকল অনিয়ম আমরা জনগনের সামনে তুলে ধরতে চাই।

নির্বাচনে অনিয়ম বা প্রহসন হয়েছে এটি প্রমাণের যথেষ্ট তথ্য বা ডাটা আপনাদের হাতে আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের হাতে প্রচুর পরিমাণে তথ্য উপাত্ত রয়েছে। এছাড়া সারাদেশের জনগণ আসবেন, তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন। তাছাড়া মিডিয়াসহ অন্যান্য যারা নির্বাচনে সরাসরি কাজ করেছে তারাও আসবেন। আশাকরি আমরা সব প্রমাণ করতে পারবো এবং এই সরকারের মুখোশ জনগণের সামনে উন্মোচন করতে পারবো।

আওয়ামী লীগ বা ১৪ দলের কোন প্রতিনিধি গণশুনানিতে থাকবে কিনা জানতে চাইলে সুব্রত চৌধুরী বলেন, তারা তো এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, আনসার সবাই মিলে এটি সম্পন্ন করেছে। কাজেই গণশুনানিতে তাদের থাকার প্রশ্নই আসে না।
তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরাই এখানে এসে তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করবেন। আমরা এই শুনানির মাধ্যমে সরকারের মুখোশ খুলে দেব।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত