প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মান্না বললেন, আদালত চাইলে আমার ২ লাখ ভোটার হাজির করবো, তারা সাক্ষী দেবে ভোট দিতে পারেনি

মারুফুল আলম : জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আমরা একটি ফ্রেশ নির্বাচনের জন্যই গণশুনানি করছি। নির্বাচনে জনগণ যে ভোট দিতে পারেনি, সেটার জন্য যুক্তি হাজির করবো। আদালত যদি সাক্ষী চায়, তাহলে আমার ৩ লাখ ভোটারের মধ্যে অন্তত ২ লাখ ভোটার আনবো। তারা সবাই বলবে যে আমরা ভোট দিতে পারিনি। মঙ্গলবার ডিবিসি নিউজ’র রাজকাহন অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, বাইরে ছিলাম, তাই মামলা করতে পারিনি। আমি অবশ্যই মামলা করবো।

মান্না বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বচনের অনিয়মকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে। সাতটি কারণে বিএনপি পরাজিত, আর পাঁচটি কারণে আওয়ামী লীগ জিতেছেÑ এ কথাগুলো বলে তারা বিতর্কিত নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য বানানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু নির্বাচনের আগের রাতে আর্মি ছিলো সাইলেন্ট, পুলিশ ব্যস্ত ছিলো সিল মারার কাজে। সারা রাত এরকম তাÐব চলেছে।

গণশুনানীর কারণে সরকার বিব্রত হতে পারে এ প্রশ্নের জবাবে মান্না বলেন, যারা নির্বাচনের নামে তাÐব করতে পেরেছে, তারা আমাদের গণশুনানীতে বিব্রত হবে কি হবে না সেটা আমাদের দেখার বিষয় না। এই নির্বাচনের ব্যাপারে আমরা প্রতিমুহূর্তই বলতে চাই, এটা কোনো নির্বাচনই হয়নি। আমরা একটি ফ্রেশ ইলেকশন চাই- এই কারণে আমরা গণশুনানি করছি।

ঐক্যফ্রন্ট নেতা মান্না বলেন, আওয়ামী লীগের রাতে ভোট দেয়ার যে প্ল্যান ছিলো, এটা আমরা টের পেয়েছিলাম। সেজন্যই আমরা পাহারা দেয়ার কথা বলেছিলাম। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিজে গিয়ে এভাবে তাÐব চালাবে, সেটা মাথায় আসেনি। রাষ্ট্র ধ্বংস করে দেয়ার মতো কাজ হবে, জানা ছিলো না। পুলিশকে উৎসাহ ভাতা দেয়া হলো, তাদেরকে বিরানী খাওয়ার ব্যবস্থা ও টাকা পয়সা দেয়া হলো। এই ঘটনাগুলো পুরো রাষ্ট্রের ভিত্তিকেই ধ্বংস করে দেয়ার কাজ। এরকম কাজ হতে পারে, এটা মাথায়ই আসেনি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সেটাই হয়েছে।

নির্বাচনের আগে ২ লাখ ভোটার আপনাদের পক্ষে নামেনি, এখন কেনো নামবে জানতে চাইলে ঐক্যফ্রন্টের এই নেতা বলেন, অবশ্যই নেমেছে। বিভিন্ন সেন্টারে রাত ২টা পর্যন্ত জনগণ প্রতিরোধ করেছে। রীতিমতো লড়াই হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় দলের কর্মীদের সঙ্গে সিনিয়র নেতাদেরও মাথা ফেটেছে। পুলিশ অফিসার আহত হয়েছে। এই নির্বাচনকে ঘিরে মামলা-গ্রেফতার অনেক হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত