প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আ’লীগের প্রতিপক্ষ আ’লীগ

ডেস্ক রিপোর্ট : সব দলের অংশগ্রহণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হচ্ছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এরই মধ্যে পাঁচ দফায় অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচনের তিনটি ধাপের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার প্রথম ধাপের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার এবং সোমবার দ্বিতীয় দফার দাখিল শেষ হয়েছে। এতে অধিকাংশ উপজেলাতেই আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে নিজ দলের ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’। কোনো কোনো উপজেলায় রয়েছে একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী।

প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে এ পর্যন্ত ১৯৪ জন বিদ্রোহী প্রার্থীর খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া চেয়ারম্যান পদে ২৫ ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্ট অংশ না নেয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, সব দল অংশ না নেয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা কম। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের কণ্ঠেও শোনা গেল সেই হতাশার সুর।

তিনি বলেছেন, এবার উপজেলা নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক না হওয়ায় জৌলুস হারাতে বসেছে। যদিও প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদা দাবি করেছেন, উপজেলা নির্বাচন প্রতিযোগিতা ও অংশগ্রহণমূলক হবে।

পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচনে প্রথম ধাপের ৮৬ উপজেলায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে দেখা গেছে, বেশিরভাগ উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বী দলটির বিদ্রোহীরা। মঙ্গলবার রাত ১০টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ জন।

এ ছাড়া ১২টিতে চেয়ারম্যান পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। এগুলোতে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। আর ভাইস চেয়ারম্যান (সংরক্ষিতসহ) পদে ১৮ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

এ ছাড়া উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় ধাপের ১২৪ উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের পর দেখা গেছে, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা ১২৭। আর ২৪ জন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

এর মধ্যে চেয়ারম্যান ১৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৬ জন রয়েছেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে আরও অনেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারেন।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বলেন, চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় কি সমস্যা হচ্ছে- তা আমরা অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। আমাদের নেত্রী (আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) দেশের বাইরে। তিনি এলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই সবার অংশগ্রহণে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কিন্তু এ নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি অংশগ্রহণ না করায় কোথাও কোথাও শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নেই।

এতে হয়তো কিছু উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা জয় পেতে যাচ্ছেন। এটা আমাদের কাম্য নয়। তিনি বলেন, কতজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন তা জানা নেই। এটা জানার পর করণীয় কি তা দলে আলোচনা হতে পারে। তবে পাঁচ পর্বের উপজেলা নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশেই হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দীন যুগান্তরকে বলেন, দুই কারণে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের সংখ্যা বাড়ছে। প্রথমত, বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের দলগুলো নির্বাচনে অংশ না নেয়া।

দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ অনেক কমে গেছে। মূলত এসব কারণেই এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না হওয়ার আশঙ্কা আছে।

এদিকে সোমবার দ্বিতীয় ধাপের ১২৪টি উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ চেয়ারম্যান পদে ৪৮৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৭৬ জন ও সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৬৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

সব মিলিয়ে ১ হাজার ৬২৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। আজ বুধবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারিত রয়েছে। আর দ্বিতীয় ধাপের উপজেলাগুলোতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ মার্চ। আর প্রথম ধাপের নির্বাচন হবে ১০ মার্চ।

স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনে বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল অংশ না নেয়াসহ নানা কারণে একক প্রার্থীর এ সংখ্যা এসেছে বলে মনে করছেন ইসির কর্মকর্তারা। তারা জানান, নির্বাচন আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার পর যারা একক প্রার্থী থাকবেন তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মর্মে ঘোষণা করবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

তারা নির্বাচিতদের নামের গণবিজ্ঞপ্তিও জারি করবেন এবং কমিশনের কাছে নির্দিষ্ট ফরমে তথ্য দেবেন। কমিশন নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করবে।

ইসি সূত্রে আরও জানা গেছে, দ্বিতীয় ধাপে ১৩টি উপজেলার চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী রয়েছেন। চট্টগ্রাম জেলার সাতটি উপজেলার পাঁচটিতেই চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী রয়েছেন।

সেগুলো হচ্ছে- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, সন্দ্বীপ, রাঙ্গুনিয়া, মীরসরাই ও রাউজান। বাকি দুটি উপজেলা হাটহাজারীতে দু’জন ও ফটিকছড়িতে তিনজন প্রার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া যেসব উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী রয়েছেন সেগুলো হচ্ছে- বগুড়ার আদমদীঘি, নওগাঁ সদর, পাবনা সদর, মৌলভীবাজার সদর, ফরিদপুর সদর, নোয়াখালীর হাতিয়া, রাঙ্গামাটির কাপ্তাই, খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি।

এ ছাড়া দ্বিতীয় ধাপে যে পাঁচটি উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী রয়েছেন সেগুলো হচ্ছে- পাবনা সদর, ফরিদপুর সদর ও বোয়ালমারী, নোয়াখালীর হাতিয়া এবং চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা। আর যে ছয়টি উপজেলায় সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী সেগুলো হচ্ছে- পাবনা সদর, সিলেটের কানাইঘাট, ফরিদপুর সদর, নোয়াখালীর হাতিয়া এবং চট্টগ্রামের রাউজান ও মীরসরাই।

উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে চার বিভাগের (সিলেট, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর) ৮৬টিতে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার। এসব উপজেলায় কতজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করছেন সে সংখ্যা রাত ১০টায় জানাতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। তবে চেয়ারম্যান পদে সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জে জেলায় ২ জন, সুনামগঞ্জে ১০জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা জেলায় বিভিন্ন উপজেলায় কেউ মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। এই জেলায় ২জন চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। বাকি ৭টি উপজেলায় আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থী নাই। যারা আছেন তারা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী।

রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন উপজেলায় ১২জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ৭জন, বিএনপির (স্বতন্ত্র) ৩জন এবং স্বতন্ত্র (অন্যান্য) ৩ জন। এই বিভাগে ৯জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে রাজশাহী জেলায় ২জন, সিরাজগঞ্জে ৩জন, জয়পুরহাটে ৩জন এবং নাটোরে ১জন। রংপুর বিভাগে ৮জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এই বিভাগে চেয়ারম্যান পদে দুইজন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

সিলেট বিভাগ হবিগঞ্জ জেলা : এ জেলায় ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন- বাহুবল উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী আক্তারুজ্জামান নাছির ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী স্বাধীন মিয়া। বাহুবল উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ও চুনারুঘাট উপজেলায় আবদুল খালেক। এদিকে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে জেলার আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং, নবীগঞ্জ, চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৫ বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এছাড়া প্রায় সব উপজেলায়ই ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি নেতারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

হবিগঞ্জ সদরে চেয়ারম্যান পদে ৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- সৈয়দ আহমদুল হক (স্বতন্ত্র), মশিউর রহমান শামীম (আওয়ামী লীগ), মোতাচ্ছিরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)। এখানে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির কোনো নেতা অংশ নিচ্ছেন না। তবে ভাইস চেয়ারম্যান পদে জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আওয়াল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

লাখাই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- মুশফিউল আলম আজাদ (আওয়ামী লীগ), মাহফুজুল আলম মাহফুজ (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), রফিক আহমেদ (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)।

চুনারুঘাটে চেয়ারম্যান পদে আবদুল কাদির লস্কর (আওয়ামী লীগ), আবু তাহের (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ লিয়াকত হাসান (স্বতন্ত্র), খেলাফত মজলিশ নেতা প্রভাষক আবদুল করিম।

বাহুবলে চেয়ারম্যান পদে আবদুল হাই (আওয়ামী লীগ), আবদুল কাদির চৌধুরী (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) ও সৈয়দ খলিলুর রহমান (স্বতন্ত্র)। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১ জন বিএনপি নেত্রীসহ ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নবীগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আলমগীর চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), বিএনপি সমর্থক আবদুল হাই চৌধুরী (স্বতন্ত্র), গাজী খালেদা সারোয়ার ও জাপা নেতা হায়দর মিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আজমিরীগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে মর্তুজা হাসান (আওয়ামী লীগ), মো. আলাউদ্দিন (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), খালেদুর রশিদ ঝলক (স্বতন্ত্র) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বানিয়াচংয়ে চেয়ারম্যান পদে আবুল কাশেম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), ইকবাল হোসেন খান (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ শাহীন (স্বতন্ত্র) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মাধবপুরে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হচ্ছেন আতিকুর রহমান আতিক (আওয়ামী লীগ), এহতেশামুল বার চৌধুরী লিপু (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), এসএসএএম শাহজাহান (স্বতন্ত্র)।

সুনামগঞ্জ : শেষ দিনে এই জেলায় বিএনপি ও আ’লীগের ১০ প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এসব উপজেলার মধ্যে আটটিতে আওয়ামী লীগের ১৫ জন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। আর বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলেও দলটির চার নেতা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন।

সুনামগঞ্জ সদরে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন খায়রুল হুদা চপল (আ’লীগ), মোবারক হোসেন (আ’লীগ বিদ্রোহী), রাশেদ বখত নজরুল (আ’লীগ বিদ্রোহী) ও অ্যাডভোকেট মনীষ কান্তি দে মিন্ট (আ’লীগ বিদ্রোহী)।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন রফিকুল ইসলাম তালুকদার (আ’লীগ), বিএনপির হারুনুর রশিদ (স্বতন্ত্র) এবং ছফির উদ্দিন (আ’লীগ বিদ্রোহী)। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন হাজী মো. আবুল কালাম (আ’লীগ) ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ফারুক আহমদ (স্বতন্ত্র)।

দোয়ারাবাজার উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আবদুর রহিম (আ’লীগ), ফরিদ আহমদ তারেক (আ’লীগ বিদ্রোহী), দেওয়ান তানভীর আশরাফী চৌধুরী বাবু (আ’লীগ বিদ্রোহী), বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ (স্বতন্ত্র) এবং জাতীয় পার্টির রেনু মিয়া।

ছাতক উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মো. ফজলুর রহমান (আ’লী) ও অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল (আ’লীগ বিদ্রোহী)।

জামালগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইউসুফ আল আজাদ (আ’লীগ), রেজাউল করিম শামীম (আ’লীগ বিদ্রোহী) ও মু. আবদুর রশিদ (স্বতন্ত্র)। তাহিরপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল (আ’লীগ) ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি আনিসুল হক (স্বতন্ত্র)।

দিরাই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রদীপ রায় (আ’লীগ), আলতাব উদ্দিন (আ’লীগ বিদ্রোহী), মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী (আ’লীগ বিদ্রোহী) ও রঞ্জন রায় (আ’লীগ বিদ্রোহী)।

শাল্লা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (আ’লীগ) ও অ্যাডভোকেট অবনী মোহন দাস (আ’লীগ বিদ্রোহী)।

ধর্মপাশায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শামীম আহমদ মুরাদ (আ’লীগ) ফখরুল ইসলাম চৌধুরী (আ’লীগ বিদ্রোহী) শামীম আহমদ বিলকিস (আ’লীগ বিদ্রোহী), ও মোজাম্মেল হোসেন (আ’লীগ বিদ্রোহী)।

সুনামগঞ্জের ১০ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৫ জন, নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪১ জনের প্রার্থিতা বহাল রয়েছে।

ময়মনসিংহ বিভাগ নেত্রকোনা জেলা : উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপে জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে চেয়ারম্যান পদে দুইটিতে আওয়ামী লীগের দুইজন প্রাথী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি সাতটিতে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী রয়েছেন।

সদর উপজেলায় অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান ও কেন্দুয়া উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা মো. নূরুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। পূর্বধলা উপজেলায় বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।

মোহনগঞ্জে চেয়াম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শহীদ ইকবাল (আওয়ামী লীগ) ও ইজাজুল হক রয়েল (স্বতন্ত্র)। খালিয়াজুরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গোলাম কিবরিয়া জব্বার (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), সামছুজ্জামান তালুকদার সুয়েব সিদ্দিকী (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)।

বারহাট্টায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অধ্যক্ষ গোলাম রসুল তালুকদার (আওয়ামী লীগ) ও মাইনুল হক কাসেম (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)। দুর্গাপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এমদাদুল হক খান (আওয়ামী লীগ), জান্নাতুল ফেরদৌস ঝুমা তালুকদার (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), সাইদুল হোসেন আকুঞ্জি (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), কামাল পাশা (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) এবং আবদুল গণি (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)।

পূর্বধলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাহিদুল ইসলাম সুজন (আওয়ামী লীগ) ও মাসুদ আলম টিপু (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহ)। কলমাকান্দায় উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আবদুল খালেক তালুকদার (আওয়ামী লীগ) ও ফজলুল হক ফজলূ (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)। মদন উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মো. হাবিবুর রহমান (আওয়ামী লীগ), সাইদুর রহমান (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) ও ইফতেখার আলম খান চৌধুরী (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)।

রাজশাহী বিভাগ রাজশাহী : গোদাগাড়ীতে চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী বদিউজ্জামান বদি, জাতীয় পার্টির সালাউদ্দিন বিশ্বাস এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সাইদুর রহমান।

মোহনপুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের আবদুস সালাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। বাগমারায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী অনিল কুমার সরকার, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী বাবুল হোসেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী ডিএম জিয়াউর রহমান। দুর্গাপুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবদুল কাদের। পুঠিয়ায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের জিএম হিরা বাচ্চু, জাতীয় পার্টির আনসার আলী।

বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী মখলেসুর রহমান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। চারঘাটে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ফখরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী টিপু সুলতান এবং জাতীয় পার্টি থেকে ইকবাল হোসেন।

বাঘায় আওয়ামী লীগের লায়েব উদ্দিন লাভলু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হতে চলেছেন। জাতীয় পার্টির সামসুদ্দিন রিন্টু ও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২ জন। নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন ১ জন। এ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২ জন।

সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ সদরে আওয়ামী লীগের মো. রিয়াজ উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চলেছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তাড়াশে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী সঞ্জিত কুমার কর্মকার ও ২ জন স্বতন্ত্র। ভাইস চেয়ারম্যান ৫ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উল্লাপাড়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের শফিকুল ইসলাম শফি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চলেছেন।

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী অধ্যাপক ইদ্রিস আলী। ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান পান্না এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিবলী ইসলাম কবিতা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

বেলকুচিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ আলী আকন্দ, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী নুরুল ইসলাম সাজেদুল ও সিরাজুল ইসলাম, স্বতন্ত্র আনোয়ার হোসেন। ভাইস চেয়ারম্যান ৬ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৪ জন। শাহজাদপুরে আওয়ামী লীগের অধ্যক্ষ আজাদ রহমান, জাসদের শফিকুজ্জামান, জাতীয় পাটির মুক্তার হোসেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভাইস চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এলিজা খান নির্বাচিত হতে চলেছেন।

কাজিপুরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের খলিলুর রহমান সিরাজী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। ভাইস চেয়ারম্যান ৮ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রায়গঞ্জে উপজেলায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমরুল হোসেন তালুকদার, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী শোভন সরকার। ভাইস চেয়ারম্যান ৫ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চৌহালীতে আওয়ামী লীগের মো. ফারুক হোসেন, বিএনপির স্বতন্ত্র আবদুল্লাহ আল মামুন ও মাহফুজা খাতুন। ভাইস চেয়ারম্যান ৮ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জয়পুরহাট : জয়পুরহাট সদর উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এসএম সোলায়মান আলী নির্বাচিত হতে চলেছেন। ভাইস চেয়ারম্যান ৬ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

পাঁচবিবিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের মুনিরুল শহীদ মণ্ডল নির্বাচিত হতে চলেছেন। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবু সাঈদ আল মাহবুব চন্দন এবং স্বতন্ত্র রাণী রাবেয়া আসরী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পুরুষ চেয়ারম্যান পদে একজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

ক্ষেতলালে আওয়ামী লীগের মোস্তাকিম মণ্ডল ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী তাইফুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

কালাইয়ে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মিনফুজুর রহমান মিলন ও জাসদের তারেকুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১ জন প্রত্যাহার করায় ওই পদে ৪ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আক্কেলপুরে আওয়ামী লীগের মোকছেদ আলী মণ্ডল, জাসদের আবু খায়ের মো. সাখাওয়াত হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুস সালাম আকন্দ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় এখন ওই পদে ৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নাটোর : নাটোর সদরে সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় আওয়ামী লীগের মো. শরিফুল ইসলাম রমজান চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান পদে আবদুল্লাহ আল সাকিব বাকী ও শেখ কামরুন নাহার কাজল মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চলেছেন। বাগাতিপাড়ায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

সেখানে পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রদিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বড়াইগ্রামে আওয়ামী লীগের ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোয়াজ্জেম হোসেন বাবলু, ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দু’জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া সিংড়া, লালপুর ও গুরুদাসপুরে আওয়ামী লীগ ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

রংপুর বিভাগ লালমনিরহাট : আদিতমারীতে আওয়ামী লীগের রফিকুল আলম, দলের বিদ্রোহী ইমরুল কায়েস ফারুক, জাতীয় পার্টির নিগার সুলতানা রানী। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ ও মহিলা ৪ জন রয়েছেন। কালীগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মাহাবুবুজ্জামান আহমেদ।

দলের বিদ্রোহী তাহের তাহু মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টির নাহিদ হোসেন ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের আশরাফ আলী প্রার্থী রয়েছেন। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ ও মহিলা ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

হাতীবান্ধায় আওয়ামী লীগের লিয়াকত হোসেন বাচ্চু, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী বদিউজ্জামান ভেলু, সরওয়ার হায়াত খান, আলমগীর হোসেন রন্টু ও মশিউর রহমান মামুন প্রার্থী হয়েছেন। প্রত্যাহার করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী এমজি মোস্তফা।

পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ ও মহিলা ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পাটগ্রামে চেয়ারম্যান পদে রুহুল আমিন বাবুল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে লতিফা বেগম বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চলেছেন। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রাম সদরে চেয়ারম্যান পদে ৩, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন। রাজারহাটে চেয়ারম্যান পদে ২, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন। রৌমারীতে চেয়ারম্যান পদে ৬, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন।

রাজিবপুরে চেয়ারম্যান পদে ২ ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন। চিলমারীতে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন।

ফুলবাড়ীতে চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন। নাগেশ্বরীতে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন।

ভূরুঙ্গামারীতে চেয়ারম্যান পদে ২, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন। উলিপুরে চেয়ারম্যান পদে ৩, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী রয়েছেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন ফুলবাড়ী উপজেলার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান প্রার্থী ময়নুল হক, রাজীবপুর উপজেলার আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল হাই সরকার এবং রাজারহাটের স্বতন্ত্র প্রার্থী রানু বেগম। ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন রাজারহাটের জহির উদ্দিন।

বিএনপির ২ প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের একজন নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম রসুল রাজা, রৌমারী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ইমান আলী।

জাতীয় পার্টি থেকে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। তারা হলেন- নাগেশ্বরী উপজেলায় মহিবুল হক খোকন ও উলিপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ থেকে জাপায় যোগ দেয়া সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম কফিল।

পঞ্চগড় : পঞ্চগড় সদরে আওয়ামী লীগের আমিরুল ইসলাম, বিএনপির স্বতন্ত্র আবু দাউদ প্রধানসহ দু’জন। দেবীগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। ৭ জনই আওয়ামী লীগের নেতা ও সমর্থক।

এছাড়া বিএনপির স্বতন্ত্র মোফাখখারুল আলম বাবু মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। বোদা উপজেলায় আওয়ামী লীগের ফারুক আলম টবি বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চলেছেন।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আজাহার আলী ও বিএনপির স্বতন্ত্র জাকির হোসেন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। আটোয়ারী উপজেলায় আওয়ামী লীগের তৌহিদুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আনিছুর রহমান। তেঁতুলিয়ায় আওয়ামী লীগের কাজী মাহামুদুর রহমান ডাবলু, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফরিদা আখতার হীরা, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হায়দার আলী এবং বিএনপি সমর্থক মুক্তারুল হক মুকু।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত